Thursday, May 21, 2026

আকাশ প্রেমিক উদার আকাশ পত্রিকার সম্পাদক ফারুক আহমেদ

Date:

Share post:

উদার আকাশ শুধুমাত্র পত্রিকা নয়, আত্মমর্যাদার অভিজ্ঞান। উদার আকাশ শুধুমাত্র স্লোগান নয়, সুস্থ সমাজ গড়ার অঙ্গীকার।
উদার আকাশ – এর লক্ষ্য , ঘরে ঘরে সাহিত্যচেতনা পৌঁছে দেওয়া ।

কলেজজীবন থেকেই সাহিত্য-সংস্কৃতিচর্চায় নিবেদিতপ্রাণ তরুণ সম্পাদক ফারুক
আহমেদ। ধারাবাহিকভাবে তিনি নিভৃতে তরুণ প্রজন্মকে উৎসাহিত করে যাচ্ছেন কয়েক দশক ধরে।
ফারুক আহমেদ, মৌসুমী বিশ্বাস ও রাইসা নূর সম্পাদিত উদার আকাশ পত্রিকার ‘ঈদ-শারদ উৎসব সংখ্যা 1426’ এর বিশেষ বিষয় রাখা হয়েছে ‘সহাবস্থান ও সমন্বয়’।
বাঙালির দুই মুখ্য সম্প্রদায়ের দুই প্রধান উৎসব ঈদ ও শারোদৎসবকে সামনে রেখে সম্প্রীতি, সৌহার্দ্য ও মিলনের জয়গান গাওয়াই উদার আকাশের মূল লক্ষ্য।
সম্পাদকীয়তে ফারুক আহমেদ মুখ্যত দুটি বিষয়ের উপর জোর দিয়েছেন। দেশভাগের পর এপার বাংলার সংখ্যালঘু মুসলমানদের অবস্থা খুবই করুণ ছিল। সেই অবস্থা থেকে ধীরে ধীরে নানা রকমের কায়িক শ্রম ও ছোট ছোট ব্যবসার মাধ্যমে কেউ কেউ একটু আধটু আর্থিকভাবে সক্ষম হয়। কিন্তু শিক্ষাদীক্ষায় তাঁদের অবস্থান ছিল একেবারে তলানিতে। সেই অবস্থার বদল শুরু হয় আটের দশকে এবং এই পরিবর্তনে মুখ্য ভূমিকা নেয় কিছু মিশন স্কুল।
দ্বিতীয় যে বিষয়টি তিনি উল্লেখ করেছেন, সেটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। বেশ পিছিয়ে থাকা সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীদের উচ্চশিক্ষার জন্য সরকারের তরফে বিশেষ প্রকল্পের ব্যবস্থা করা হোক। এরই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও বিত্তনিগম থেকে গ্যারেন্টার ছাড়াই ঋণ দেওয়া হোক। ভুক্তভোগী মাত্রই জানেন এই সমাজে গ্যারেন্টার পাওয়া খুবই কঠিন কাজ। এবং শুধুমাত্র সেই কারণের জন্য বহু অভাবী মেধাবী উচ্চ শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।
পত্রিকার মাধ্যমে শুধু সাহিত্যচর্চা নয় সামাজিক দায়বদ্ধতা প্রকাশের উজ্জ্বল উদাহরণ লালমিয়া মোল্লার ‘আসুন সদর আলির পাশে দাঁড়াই’। খুবই অসহায় এই সাহিত্যিক এবং তাঁর পঙ্গু স্ত্রীর প্রতি সাহায্যের মানবিক আবেদন রেখেছেন লালমিয়া মোল্লা এবং সম্পাদক উভয়েই।
উল্লেখ্য, এই বিশেষ সংখ্যাটি উৎসর্গ করা হয়েছে দানবীর মাননীয় মোস্তাক হোসেন মহাশয়কে। প্রতিটি সংখ্যার মতো এই সংখ্যায়ও বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ-নিবন্ধ স্থান পেয়েছে। “সহাবস্থান ও সমন্বয়” বিষয়ে মহামূল্যবান প্রচ্ছদ নিবন্ধ লিখেছেন স্বনামধন্য প্রাবন্ধিক শেখ একরামূল হক।
সম্পাদক ফারুক আহমেদ নিজেকে আড়াল রেখে ভালো লেখা আর লেখককে প্রাধান্য দিতে চায়। এটা তার বড় গুণ। যদিও নিজে সে কবি, ছড়াকার, গল্পকার, প্রাবন্ধিক। আছে একাধিক গ্রন্থ। জীবিকার দায় মিটিয়ে সাহিত্য সেবায় সে নিষ্ঠাবান। এর পাশে সামাজিক নানা কাজে ও আন্দোলনেও সে জড়িত থাকে।

Related articles

অভি-সানি’ নেমপ্লেট লেখা ফ্ল্যাটে পুর-আধিকারিকরা, ভেতরে ঢুকতেই চক্ষু চড়কগাছ!

ঠিকানা, দমদমের ১৯ ডি, ৭ ট্যাঙ্ক লেন, কলকাতা-৭০০০৩০, ফ্ল্যাটের নেমপ্লেটে লেখা 'অভি-সানি'। বাড়ির যৌথ মালিকের নাম অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়...

মোদি মন্ত্রিসভায় রদবদলের সম্ভাবনা! আজ রাজধানীতে জরুরী বৈঠক প্রধানমন্ত্রীর

পূর্ণমন্ত্রী পাবে কি বাংলা, উত্তর মিলতে পারে আজ। বিদেশ সফর শেষে বৃহস্পতিবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার জরুরি বৈঠক ডাকলেন...

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর আজ প্রথম দিল্লি সফর, নজরে কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে মন্ত্রিসভার সম্প্রসারণ

বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবার দিল্লি যাচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বুধবার রাজধানী পৌঁছেছেন বিজেপির রাজ্য...

ফেডারেশনের বিরুদ্ধে কলাকুশলীদের অভিযোগ শুনলেন রুদ্রনীল, ‘কম্প্রোমাইজ’ প্রসঙ্গে চোখ ছলছল পরমব্রতর

রাজ্যে সরকার বদলাতেই টলিপাড়ার ভোলবদল। এতদিন ধরে ফেডারেশনের (FCTWEI) বিরুদ্ধে পুঞ্জীভূত ক্ষোভ এবার বাইরে আসতে শুরু করেছে। বিধায়ক...