Monday, April 27, 2026

শরীরে ৪০০ কোপের দাগ, জমাট বাধা কালসিটে! অঙ্কিতের দেহ দেখে শিউরে উঠছে পুলিশও

Date:

Share post:

আইবি অফিসার অঙ্কিত শর্মার দেহ দেখে শিউরে উঠছেন দুঁদে পুলিশকর্তারাও। এত নৃশংসভাবে কেন মারা হল গোয়েন্দা অফিসারকে? এখন এই প্রশ্নেই ঘুরপাক খাচ্ছে পুলিশ মহল এবং অঙ্কিতের পরিবারে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, অঙ্কিত শর্মার দেহে অন্তত ৪০০ বার ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ দেওয়া হয়েছিল। বেরিয়ে এসেছিল পাকস্থলী, অন্ত্র। কোপানোর আগে পাথর ছুড়েও মারা হয় অঙ্কিতকে। তবে, দেহে গুলির চিহ্ন পাওয়া যায়নি। প্রায় দু’ঘণ্টা ধরে চলেছিল অমানবিক অত্যাচার। এরপর মৃত্যু নিশ্চিত বুঝে তাকে ছুড়ে ফেলা হয় নর্দমায়।
মঙ্গলবার, চাঁদবাগ এলাকার ড্রেন থেকে অঙ্কিতের রক্তাক্ত, থেঁতলানো দেহ উদ্ধার হয়। শরীর জুড়ে ছিল ধারালো অস্ত্রের দাগ। রক্ত শুকিয়ে কালো হয়ে গিয়েছিল।
অঙ্কিতের বাবা রবীন্দ্র শর্মা জানান, ২৫ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৫টা নাগাদ বাইকে চেপে বাড়ি থেকে বেরিয়েছিল ছেলে। কিছু কাজ সেরে তাড়াতাড়ি ফিরবে বলেছিল। এরপর থেকেই অঙ্কিতের কোনও খোঁজ ছিল না। খাজুরি খাস থানায় নিখোঁজ ডায়রি করেন তাঁর বাবা। ২৬ ফেব্রুয়ারি বাড়ির কাছেই একটি ড্রেন থেকে অঙ্কিতের ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার হয়। রবীন্দ্র শর্মা নিজেও গোয়েন্দা অফিসার ছিলেন। ছেলের দেহের দিকে তাকাতে পারেননি তিনিও। “এত নির্মমভাবে অঙ্কিতকে কেন হত্যা করা হল?” অশ্রুসজল চোখে সেই প্রশ্ন করছেন পুত্রহারা বৃদ্ধ। তাঁর ছেলের হত্যাকারীদের কড়া শাস্তি চান তিনি।

Related articles

”টাকা দিতে এসেছে অসমের বিজেপি নেতা”, ধনিয়াখালির সভা থেকে কটাক্ষ অভিষেকের

'আমি খবর পেয়েছি ধনিয়াখালির বিভিন্ন জায়গায় টাকা বিলি করা হচ্ছে। অসীমা দি বলেছেন টাকা নেবেন না, কিন্তু আমি...

রূপাঞ্জনাকে ধর্ষণের হুমকি! স্যোশাল মিডিয়া লাইভে বিজেপিকে একহাত নিলেন টলিউড অভিনেত্রী

বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে (TMC) যোগদানের পর থেকেই সমাজমাধ্যমে কুরুচিকর আক্রমণের শিকার হচ্ছেন অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র (Rupanjana Mitra)।...

রাজ্যের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তার চাকরির মেয়াদ বাড়ল ৬ মাস

কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্তার(Siddhinath Gupta) চাকরির মেয়াদ ৬ মাস বৃদ্ধি করল। আগামী ৩০ এপ্রিল অবসরের...

লিভ-ইন থেকে বিচ্ছেদে ‘ধর্ষণের অভিযোগ’ নয়! বড় পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের

দুই প্রাপ্তবয়স্ক নারী ও পুরুষ স্বেচ্ছায় লিভ-ইন (Live-in Relationship) সম্পর্কে থাকলে, সেখান থেকে কারও বেরিয়ে যাওয়াকে 'ফৌজদারি অপরাধ'...