Friday, June 26, 2026

যে গ্রামে সকলের মাতৃভাষা সংস্কৃত

Date:

Share post:

এই গ্রামের প্রত্যেকেই কথা বলেন দেব ভাষায়। শাশুড়ি- বৌমা ঝগড়া, বাসে টিকিট কাটা, কিংবা মুদি দোকানে পাঁচফোড়ন কেনা, সবই চলে সংস্কৃতে। গ্রামের নাম মাত্তুর। কর্ণাটকের সিমোগা জেলায় এই গ্রাম। একদা দ্রাবিড় অধ্যুষিত এই গ্রামে এখনও কথ্য ভাষা সংস্কৃত। শিশুরা জন্ম থেকেই মাতৃভাষা হিসেবে সংস্কৃত শেখে। স্কুলে পাঠ শুরু হয় বৈদিক স্তোত্র পাঠের মধ্য দিয়ে । এখানে সব স্কুলেই সংস্কৃত প্রথম ভাষা । দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে থাকে ইংরেজি বা কন্নড়। মাত্তুরের সংলগ্ন হোসাহাল্লি গ্রামের বৈশিষ্ট্য মাত্তুরের সঙ্গে প্রায় একধরনের। হোসাহাল্লি গ্রামটি টুংগা নদীর অন্য পারে অবস্থিত। এই দুইটি গ্রামকে প্রায়ই একসঙ্গে বোঝানো হয়। মাত্তুর এবং হোসাহাল্লি গ্রামদুটি গামাকা বা গল্প বলার শিল্প বাঁচিয়ে রাখার জন্য খ্যাত। তার মানে এই নয় এই গ্রামের সকলেই সংস্কৃত ভাষা নির্ভর পেশার সঙ্গে যুক্ত। আধুনিক প্রযুক্তি আর দেবনাগরী ভাষা, সব মিলে মিশে দিব্যি চলছে মাত্তুর।

আরও পড়ুন-ভোগ বিতরণ ও অঞ্জলিতে নিষেধাজ্ঞা কোচবিহারের মদনমোহন বাড়িতে

Related articles

নবান্নে কাকলি-শতাব্দী-সুদীপ: শুভেন্দু-সাক্ষাতে কী কথা!

তৃণমূলে বিক্ষোভ দেখিয়ে কমপক্ষে ১৯জন সাংসদ নিয়ে এনসিপিআই-তে যোগ দিয়েছেন বর্ষীয়ান সাংসদ কাকলি ঘোষদস্তিদার (Kakoli Ghoshdastidar। জানিয়েছেন তাঁরা...

নেই হাজিরা, মামলা নিষ্পত্তিতে অনীহা, নতুন সরকারের আইনজীবী প্যানেল নিয়ে ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর এবার নতুন সরকারের সরকারি আইনজীবী প্যানেল নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করল কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতে...

ধান্দাবাজরা চলে গিয়েছে! আসল সম্পদ কর্মীরাই, তৃণমূলই থাকবে: বার্তা নেত্রীর

যারা চলে গিয়েছে যেতে দিন। নিজেকে আর পরিবার বাঁচাতে ধান্দাবাজরা বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। কিন্তু যাদের ঘাম-রক্ত-পরিশ্রম-আত্মত্যাগের বিনিময়ে...

দিদির সঙ্গেই আছি, থাকব! দুর্যোগ উড়িয়ে শপথ জেলা তৃণমূলের কর্মিসভায় 

বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে বজ্রবিদ্যুৎ সহ প্রবল দুর্যোগ শহরজুড়ে। জল থইথই অবস্থা সর্বত্র। এই দুর্যোগের মধ্যেও ভিড়ে উপচে পড়ল...