লকডাউনে মিষ্টিওয়ালা-ফুলওয়ালাদের ছাড় হলে রিকশাওয়ালাও-অটোওয়ালরা বাদ কেন? প্রশ্ন রাহুল সিনহার

ফের রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীর সমালোচনায় সরব হলেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। তিনি বলেন, “রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এই লকডাউন পর্বকে তোয়াক্কা না করে রাজনীতি করছেন। মানুষকে সচেতন না করে বিপদের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। আসলে মুখ্যমন্ত্রী লকডাউন মানেই বোঝেন না।”

এরপরই বিজেপি নেতা প্রশ্ন তুলে বলেন, “লকডাউনের মধ্যে প্রথমে মিষ্টির দোকান, তারপর ফুলের দোকান খোলার ব্যবস্থা করলেন। বাকিরা তাহলে কী করবেন? রিকশাওয়ালা -টোটোওয়ালা-অটোওয়ালা-দিনমজুররা কী দোষ করেছে? এদেরকে নিয়ে রাজনীতি করা হচ্ছে।”

এরপর সতর্ক করে রাহুল সিনহা বলেন, “আমরা করোনার তৃতীয় পর্যায়ে চলে এসেছি। এবং এই পর্যায় কত ভয়াবহ সেটা আমেরিকা-ইতালি-স্পেন ইত্যাদি দেশকে দেখলে বোঝা যায়। সেখানে দাঁড়িয়ে আমাদের দেশের প্রধানমন্ত্রী আগাম কিছু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছেন। ঠিক সময়ে লকডাউন না করলে আজকে দেশে এই সংখ্যাটা প্রায় ৫০ হাজার পৌঁছে যেত।”

সেইসঙ্গে তিনি জানান, ১২ তারিখে বোঝা যাবে সরকার কী করতে পারে। কিন্তু লকডাউন আরও বাড়ানো উচিত। কেননা, যে হারে সংক্রামক বাড়ছে তাতে এখনই লকডাউন শিথিল করলে বিপদ আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করেন রাহুল সিনহা।

এদিকে, লকডাউন পর্বে প্রায় প্রতিদিনই অসহায়-গরিব মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিচ্ছেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। রান্না করা খাবার ছাড়াও প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার মানুষের হাতে তিনি নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী, যেমন- চাল,ডাল,আলু,পেঁয়াজ, সাবান, তেল, নুন, মশলাপাতি ইত্যাদি তুলে দিচ্ছেন। আগামীদিনে এই সংখ্যাটা আরও বাড়ানো হবে বলেও জানান রাহুল সিনহা।