Monday, January 12, 2026

দিল্লি মুকুল রায়ের জন্য কী পদ ভেবেছে জেনে নিন

Date:

Share post:

মুকুল রায় বিজেপির শীর্ষনেতৃত্বকে সাফ বলেছিলেন, হয় কাজ দিন। নয় ছেড়ে দিন।

এই পরিস্থিতিতে মুকুল দিল্লি সফর সেরে আসার পর তাঁর শিবির এবং দিল্লি সূত্রে খবর-
মুকুলকে এখনই কেন্দ্রে পূর্ণমন্ত্রী করার সম্ভাবনা খুব কম।
রাজ্য বিজেপির মূল সংগঠনেও কাজ করার তেমন জায়গা নেই।
আবার এতদিন মুকুল রায়কে তেমন কোনো পদ না দিলেও দিল্লি চায় না ভোটের আগে মুকুল দল ছেড়ে যান।
ফলে মুকুলের জন্য বিকল্প দুটি পথ ভাবছে দিল্লি।

এক, জটিলতা কাটিয়ে ভোটের স্বার্থে মুকুলকে মন্ত্রী করা।
দুই, মন্ত্রী বা দললের বড় পদের ঝামেলায় না গিয়ে মুকুলকে এবারের বিধানসভা ভোটে ইলেকশন কমিটির চেয়ারম্যান করা। এই পদটিই আপাতত ভাবা হয়েছে।

কিন্তু ঘটনা হল, এটা অনেকটা নাকের বদলে নরুণ। যেখানে মন্ত্রিত্বের জল্পনা চলছে, সেখানে মন্ত্রী করা না হলেই নেতিবাচক বার্তা যাবে। তাছাড়া মুখে যাই বলা হোক ইলেকশন কমিটির দায়িত্ব পেয়ে স্বাধীনভাবে কাজ করা মুশকিল। পঞ্চায়েত ভোটেও তো মুকুলকে এরকম কমিটির মাথায় বসানো হয়েছিল। ফলে তাতে কোনো নতুনত্ব থাকবে না।
মুকুলশিবির অবশ্য বলছে, এবার মুকুলকে সামনে রেখেই ভোটে যাবে দল।
উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে কংগ্রেস তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রদেশ সভানেত্রীর পদের বদলে ইলেকশনিয়ারিং কমিটির চেয়ারপার্সন ঘোষণা করেছিল। পরেরদিনই অপমানিত মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের মঞ্চ থেকে ভোটে লড়ার কথা ঘোষণা করেছিলেন।
মুকুলশিবিরের এক নেতা বলেন,” অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করে মুকুল রায়কে খুশিই দেখিয়েছে। এখন দেখা যাক কার্যকর ক্ষেত্রে কী হয়।”

spot_img

Related articles

সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন ইডি-র: সোমেই শুনানির আবেদন

রাজ্যের তরফে ক্যাভিয়েট দাখিলের পরে শীর্ষ আদালতে দ্রুত তৎপরতা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র। সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ইডি। সেখানে...

আম্বেদকর মূর্তির রেলিংয়ে ধাক্কা লরির! ভোরের কলকাতায় এড়ানো গেল বড় দুর্ঘটনা

বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেল সোমবার ভোরে রেড রোডে। নিরাপত্তায় মোড়া রেড রোডে সোমবার ভোরে একটি লরি সোজা এসে...

শীতলতম কল্যাণী: চলতি সপ্তাহে কলকাতায় পারদ ছোঁবে ১২ ডিগ্রি

শুধু শীতের আমেজ নয়, গোটা বাংলা এ বছরের শীতে হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডাতেই অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। সেই অভ্যাসে নতুন...

স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীতে কাজের মধ্যেই শ্রদ্ধা: সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী

তিনিই বলেছিলেন গীতাপাঠের চেয়ে ফুটবল খেলা ভালো। যার অন্তর্নিহিত অর্থ কর্মই অনেক বেশি কাঙ্খিত, ধর্মের আলোচনার থেকে। আর...