Friday, January 9, 2026

গেহলট শিবিরের অস্বস্তি বাড়িয়ে রাহুলের সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছাপ্রকাশ শচিনের!

Date:

Share post:

রাজস্থান সংকটে নয়া মোড়! গেহলট শিবিরের অস্বস্তি বাড়িয়ে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর সঙ্গে সাক্ষাতের ইচ্ছাপ্রকাশ করলেন বিদ্রোহী শচিন পাইলট। আর এই ঘটনায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে ফের সরগরম রাজস্থানের রাজনীতি।

রবিবার মরুশহর জয়সলমীরে কংগ্রেস পরিষদীয় দলের বৈঠক হয়। জয়সলমীরের রিসর্টেই রাখা হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট ঘনিষ্ঠ বিধায়কদের। বৈঠকে রাজ্যের নগরোন্নয়ন ও আবাসন মন্ত্রী শান্তি ধারিওয়াল বলেন, যারা দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, তাদের আর কখনই ফিরিয়ে নেওয়া উচিত নয়। অন্য বিধায়করাও একবাক্যে তাঁকে সমর্থন করেন। এআইসিসি-র সাধারণ সম্পাদক অবিনাশ পাণ্ডে বলেন, কংগ্রেসে বিদ্রোহ নিয়ে ব্যবস্থা নেবে স্বয়ং হাইকম্যান্ড। তবে তিনি নিজে চান, বিদ্রোহীদের যেন আর ফেরানো না হয়। এই বৈঠকের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে খবর, কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছেন শচিন। তিনি কথা বলতে চান রাহুল গান্ধীর সঙ্গে। সূত্রের খবর, বিদ্রোহী প্রাক্তন উপ মুখ্যমন্ত্রী ইতিমধ্যেই কথা বলেছেন কংগ্রেসের প্রথম সারির দুই নেতা আহমেদ প্যাটেল ও কে সি বেণুগোপালের সঙ্গে। এবার তিনি প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর সাক্ষাৎপ্রার্থী। যদিও রাহুল তাঁকে সময় দিয়েছেন কিনা সে বিষয়ে এখনও কিছু জানা যায়নি। এক্ষেত্রে দুরকম সম্ভাবনাই আছে। শচিন নিজে এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেনি। তাঁর অনুগামী ১৮ জন বিক্ষুব্ধ বিধায়ক এখনও রয়েছেন হরিয়ানায়।

spot_img

Related articles

দু’ঘণ্টা পার, দিল্লিতে এখনও আটক তৃণমূল সাংসদরা! ফেসবুক লাইভে ইডিকে তোপ মহুয়ার 

ঘড়ির কাঁটা বারোটা পেরিয়ে যাওয়ার পরও দিল্লির পার্লামেন্ট স্ট্রিট পুলিশ স্টেশনেই আটক তৃণমূল সাংসদরা। দু'ঘণ্টার বেশি সময় ধরে...

আইপ্যাক কাণ্ডে অভিযোগ দায়ের মুখ্যমন্ত্রীর

গতকাল সেক্টর ফাইভে আইপ্যাক এর অফিসে ইডি হানা, ইডির বিরুদ্ধে নথি চুরির অভিযোগে বিধাননগর ইলেকট্রনিক কমপ্লেক্স থানায় লিখিত...

সামান্য বাড়ল কলকাতার তাপমাত্রা, দক্ষিণবঙ্গের জেলায় জেলায় জাঁকিয়ে শীত

শুক্রবার সকালে সামান্য বাড়ল কলকাতার তাপমাত্রা (Kolkata Temperature)। আলিপুর হাওয়া অফিস (Alipore Weather Department) জানিয়েছে ১০- ১১ ডিগ্রি...

লজ্জা! এটাই বিজেপি নতুন ভারতের রূপ! সর্বশক্তি দিয়ে তোমাদের হারাবে তৃণমূল, গর্জন অভিষেকের

স্বৈরাচারের নির্লজ্জ সীমায় পৌঁছে গিয়েছে বিজেপি। অগণতান্ত্রিক, অসাংবিধানিক পথে গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করছে। স্বৈরাচারী বিজেপি গণতন্ত্রের শেষটুকু উপড়ে ফেলে...