এবার কালিম্পঙে রাজ্যপালের প্রেস কনফারেন্স নিয়ে জল্পনা

কিশোর সাহা

দার্জিলিং থেকে কালিম্পঙে গেলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। প্রশাসনিক সূত্রের জানা গিয়েছে , বেলা ১২টা নাগাদ কালিম্পঙের সার্কিট হাউসে সস্ত্রীক পৌঁছান রাজ্যপাল। সেখানে গার্ড অব অনার দেওয়া হয় তাঁকে। মধ্যাহ্নভোজের পর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেন তিনি । বিকেলে কালিম্পঙের দূরপিন এলাকার বৌদ্ধ গুম্ফাতে যাবেন রাজ্যপাল। যদিও রাতে তাঁর কোনও পূর্বনির্দিষ্ট কর্মসূচি নেই।
তবে কালিম্পঙের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার প্রতিনিধিরা ও এলাকার কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব রাজ্যপালকে শুভেচ্ছা জানাতে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে পারেন ।
তবে কালিম্পঙের মোর্চা নেতাদের প্রতিনিধি কিংবা জন আন্দোলন পার্টির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাঁদের রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করার কর্মসূচি এখনও নেই। জন আন্দোলন পার্টির সভাপতি হরকাবাহাদুর ছেত্রী জানান, তাঁরা রাজ্যপালের দফতর থেকে কোনও আমন্ত্রণ পাননি। তিনি জানান, আমন্ত্রণ পেলে রীতি মেনেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, রাজ্যপালের দফতর থেকে সরকারিভাবে আমন্ত্রণ না পেলে তাঁরা যাওয়ার কথা আপাতত ভাবছেন না।
প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামীকাল বুধবার রাজ্যপাল প্রাতঃরাশের পরে যাবেন ক্যাকটাস গার্ডেন দেখতে। সেখানে কিছুক্ষণ সময় কাটানোর পরে বেলা সাড়ে ১২টায় সার্কিট হাউসে ফিরবেন। তখন তাঁর প্রেস কনফারেন্স করার কথা। সাংবাদিক বৈঠকের পরে তিনি মধ্যাহ্নভোজের পর বিকেলে দার্জিলিঙের উদ্দেশে রওনা হবেন। বিকেল ৫টায় তাঁর দার্জিলিঙের রাজভবনে ফেরার কথা।
বিশ্বস্ত সূত্রে খবর, রাজ্যপাল দার্জিলিং পাহাড়ের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, নানা সমস্যা, সম্ভাবনার বিষয়ে সাংবাদিকদের কাছ থেকে প্রশ্ন শুনতে চাইছেন। গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিমল গুরুং পন্থী কয়েকজন নেতা মনে করছেন , সেই সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময়েই প্রকারান্তরে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের নানা প্রশংসা করতে পারেন রাজ্যপাল। অবশ্য রাজ্যপাল উত্তরবঙ্গ সফরের শুরুর দিন থেকেই প্রেস কনফারেন্স করছেন। এনজেপি স্টেশনে পৌঁছেই প্রধামন্ত্রীর ঢালাও প্রশংসা দিয়ে সফর শুরু করেছিলেন রাজ্যপাল। শিলিগুড়ি ও দার্জিলিঙে একাধিক প্রেস কনফারেন্স করেছেন তিনি।