শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের (teacher and student) করোনার টিকাকরণ (Corona vaccination) না করিয়ে স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নেবে না কেন্দ্র। এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী । উপযুক্ত সাবধানতা না মেনে স্কুল খোলার পরই ব্যাপক হারে সংক্রমণ বেড়েছে ব্রিটেনে। সেই ভুল করতে চায় না কেন্দ্রীয় সরকার(central government)। তাই এখনই স্কুল খোলার ভাবনাচিন্তা করতে নারাজ।

বুধবার নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য) ভি কে পল জানিয়েছেন, স্কুল খোলার আগেই সমস্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষার্থীদের টিকাকরণ করা হবে। শুধু তাই নয় তাদের পরিবারের সদস্যদেরকেও ভ্যাকসিন দেওয়া হবে। পাশাপাশি ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সের পড়ুয়াদের শরীরেও দেওয়া হবে ভ্যাকসিন তবে তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। টিকাকরণের পরই স্কুল খোলার ভাবনাচিন্তা করছে কেন্দ্র। করোনাকে দমন করার জন্য দেশের হাতে এখন ২ টি অস্ত্র। ইতিমধ্যে চলছে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের পর্ব।

১৩ জানুয়ারি থেকে টিকাকরণ (vaccination) শুরু হবে বলে জানিয়েছেন কেন্দ্রের স্বাস্থ্যসচিব। করোনা ভ্যাকসিন বন্টন ও প্রয়োগের তদারকির জন্য একটি কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। দুটি ভ্যাকসিন কাদের দেওয়া হবে, কীভাবে চলবে টিকাকরণ, তা নিয়ে রূপরেখা প্রস্তুত হয়েছে। সবার আগে টিকা দেওয়া হবে ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও কোভিড ওয়ারিয়রদের। মানুষের শরীরে দুটি করেই দিতে হবে ডোজ। ছাড়পত্র অনুমোদন দেওয়ার পরই জনা প্রতি কত টিকা নষ্ট হতে পারে তার হিসেব কষেছে কেন্দ্র।প্রতি জনের পিছনে একের বেশি টিকা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানিয়েছে, ড্রাই রান থেকে যে তথ্য উঠে এসেছে, তা হল নষ্ট হওয়ার হার নির্ধারিত করা হয়েছে ১০ শতাংশের মতো। তার ভিত্তিতে সরকারকে প্রতি ১০০ জনের জন্য কিনতে হবে ১২২ টি।
