সোশ্যাল মিডিয়া সরকার ফেলে দিতে পারে! কড়া আইনের সওয়াল বিজেপির

বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া (social media) এত শক্তিশালী হয়ে উঠেছে যে তা শাসক দল ও সরকারের মাথাব্যথার কারণ হচ্ছে। সেজন্যই এবার তাকে নিয়ন্ত্রণ (control) করতে চায় কেন্দ্র (centre)। সোশ্যাল মিডিয়া নিয়ে কড়া আইনের (law) পক্ষে সওয়াল করে জানালেন বিজেপির (bjp) অন্যতম শীর্ষ নেতা রাম মাধব (ram madhav)। তাঁর মতে, সোশ্যাল মিডিয়া ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। এই ক্ষেত্রটি এতটাই শক্তিশালী হয়ে উঠেছে যে সরকারও ফেলে দিতে পারে। একইসঙ্গে অনাচার তৈরি করে গণতন্ত্রকে দুর্বল করে দিতে পারে সোশ্যাল মিডিয়া। সাংবিধানিক এক্তিয়ারের মধ্যে থেকে বর্তমান সময়ের এই নয়া সমস্যার মোকাবিলা করতে হবে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা রাম মাধব তাঁর নতুন বই ‘Because India Comes First’-এর উদ্বোধনে এই মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্র এখন নতুন চ্যালেঞ্জ ও বিপদের সম্মুখীন। আর তা হল অরাজনৈতিক শক্তির বিপদ।

রাম মাধবের কথায়, সোশ্যাল মিডিয়া ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। এই মাধ্যম এতটাই শক্তিশালী হয়ে উঠেছে যে সরকারও ফেলে দিতে পারে। অনাচার সৃষ্টি এবং গণতন্ত্রকে দুর্বল করে দিতে পারে। কিন্তু একে নিয়ন্ত্রণ করা খুব কঠিন, কারণ এর কোনও সীমানা নেই। এই শক্তি অনাচার সৃষ্টি করতে পারে। সেজন্য সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যে থেকেই সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। একদা আরএসএসের সক্রিয় সদস্য ও বর্তমানে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা দলের তরফে জম্মু-কাশ্মীরে পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব পালন করেছেন। রাম মাধবের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ার শত্রুদের মোকাবিলা করতে কড়া আইন আনার কথা ভাবছে কেন্দ্র। তা নিয়ে কাজ শুরুও হয়েছে। সম্প্রতি কৃষক আন্দোলন নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আন্তর্জাতিক জনমত ঘিরে অস্বস্তিতে কেন্দ্রীয় সরকার। পরিবেশকর্মী গ্রেটা থুনবার্গ, মার্কিন পপস্টার রিহানা সহ বিদেশি সেলেব্রিটিদের টুইটে ক্ষুণ্ণ হয়েছে সরকারের ভাবমূর্তি। এই নিয়ে টুইটারের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়িয়েছে কেন্দ্রীয় তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্র-টুইটার দুই পক্ষকে নোটিস দিয়ে জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় হিংসা-উসকানিমূলক কনটেন্ট, ভুয়ো খবর রুখতে উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। এই পরিস্থিতিতে রাম মাধবের মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ।

আরও পড়ুন- শুধু মুসলিম নয়, একাধিক কেন্দ্রে হিন্দু প্রার্থীও দিতে পারে আব্বাসের দল

Advt