রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত তুফানগঞ্জ, আহত দুইপক্ষের পাঁচজন

রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল তুফানগঞ্জ (Tuphanganj। সোমবার, তুফানগঞ্জ থানার আরামপুরে তৃণমূল-বিজেপির (Tmc-Bjp) মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। দুইপক্ষ লাঠি, বাঁশ হাতে একে অপরের উপর ঝাপিয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। দুইপক্ষের আহত হয়েছেন পাঁচ জন। তাঁদের মধ্যে তিনজন ভর্তি রয়েছেন তুফানগঞ্জ (Tufanganj) মহকুমা হাসপাতালে।

দলীয় সূত্রে খবর, মঙ্গলবার তৃণমূল নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Ritabrata Banerjee) একটি জনসভা রয়েছে বলরামপুর এলাকায়। সেই উদ্দেশেই দলীয়কর্মী-সমর্থকরা গ্রামে দলীয় পতাকা, ফেস্টুন লাগাতে যান। অভিযোগ, ঠিক সে সময়ই আক্রমণ চালান বিজেপি কর্মীরা।

যদিও তাদের বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিজেপি। তাদের পালটা অভিযোগ, বিজেপির পতাকা খুলে ফেলে দেন তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীরা৷ বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ঢুকেও চলে মারধর ও ভাঙচুর। এরপরেই দুই পক্ষ মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়৷ এই ঘটনায় বলরামপুর ১ তৃণমূল কংগ্রেসের অঞ্চল কার্যকরী সভাপতি জহির মণ্ডল ও তৃণমূল যুব সহ সভাপতি রফিক মিঞা আহত হয়েছেন। দুজনকেই তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়

অন্যদিকে, বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার মণ্ডল সম্পাদক আবু বক্কর সিদ্দিকি-সহ মোট তিনজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে তুফানগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।

উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী রবীন্দ্রনাথ ঘোষ (Rabindranath Ghosh) বলেন, বিজেপি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এই হামলা চালাচ্ছে। দলের কর্মীদের মারধর করেছে। অন্যদিকে, বিজেপি জেলা সভানেত্রী মালতী রাভা বলেন, তৃণমূল কর্মীরা এলাকায় সন্ত্রাস করে সাধারণ মানুষকে আতঙ্কিত করতে এসব করছেন। দুদলের পক্ষ থেকে তুফানগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে৷