করোনায় ভোটকর্মীদের মৃত্যু হলেই মিলবে ৩০ লক্ষ টাকা, নির্দেশ নির্বাচন কমিশনের

ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মীদের সঙ্গে সঙ্গে করোনার লড়াইয়ে প্রথম সারির যোদ্ধার সম্মান ও স্বীকৃতি পাবেন ভোটকর্মীরাও। তাঁদের প্রত্যেককে দেওয়া হবে প্রতিষেধক। এমনকি কোভিডে আক্রান্ত হয়ে ভোটের কাজে যুক্ত কারও মৃত্যু হলে তাঁর পরিবারকে ৩০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, বাইরে থেকে যাঁরা ভোটের কাজে পশ্চিমবঙ্গে আসবেন, কমিশন তাঁদের জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা করানোর নির্দেশও দিয়েছে রাজ্য সরকারকে। পর্যবেক্ষকেরা মনে করছেন, কোভিড-আবহে সতর্ক কমিশন ব্যবস্থাপনার দিক থেকে সন্তুষ্ট হতে চাইছে, সেই সঙ্গে ভোটের সময় কোনও রকম নাশকতা বা হিংসায় কারও মৃত্যু হলে ক্ষতিপূরণের আওতায় থাকবেন তাঁর পরিবারও বলে ভোটকর্মীদের আশ্বস্ত করেছে কমিশন।

প্রশাসনিক সূত্রের খবর, ২১ এর ভোটের কাজে যুক্ত থাকবেন অন্তত সাড়ে ছ’লক্ষ কর্মী। কোভিডের জন্য কমিশনের পক্ষ থেকে যেমন বুথ সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে, পাশাপাশি রয়েছে বেশ কয়েকটি বিধিনিষেধও।  ‘ন্যাশনাল এক্সপার্ট গ্রুপ’-এর সুপারিশ মেনে প্রত্যেক ভোটকর্মীকে প্রথম সারির কোভিড যোদ্ধা হিসেবে বিবেচনা করে প্রতিষেধক দেওয়ার কাজ শুরু করার নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। তাদের বক্তব্য, ভোটের কাজে যাওয়ার আগে কোনও ভোটকর্মীই যেন প্রতিষেধকের আওতার বাইরে না-থাকেন।

সূত্রের খবরে জানা যাচ্ছে, প্রতিষেধক নেওয়া বাধ্যতামূলক নয়। কেউ না চাইলে তাঁকে জোর করে প্রতিষেধক দেওয়া যাবে না। এই অবস্থায় কমিশনের সিদ্ধান্ত, ভোটের কাজ করতে গিয়ে কোভিড আক্রান্ত হয়ে কারও মৃত্যু হলে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ৩০ লক্ষ টাকা দেওয়া হবে। এই মর্মে সব রাজ্যের মুখ্যসচিবদের কাছে নির্দেশ পাঠিয়েছে তারা।

Advt