জয়েন্টে ১০০তে ১০০ পেয়ে নজির গড়লেন এই কিশোরী

৭-৮ ঘণ্টা দিনে পড়াশুনা করতেন। প্রথম থেকেই দৃঢ় সঙ্কল্প ছিলেন। তাঁকে সফল হতেই হবে এই আশা ছিল বরাবরই। ইচ্ছে ছিল ১০০ তে ১০০ ই পেতে হবে। তাই প্রথমবার JEE মেইন-এর ফল আশানুরূপ না হওয়ায় দ্বিতীয় বার আবার পরীক্ষায় বসেন দিল্লির কাব্য চোপড়া। তবে দ্বিতীয়বারের ফল তাঁকে নিরাশ করেনি। বরং নম্বর শুনে উচ্ছ্বসিত হন কাব্য। কারণ দ্বিতীয়বারের প্রচেষ্টায় ৩০০-এ ৩০০ পেয়ে নজির গড়েন দিল্লির এই তনয়া।
প্রথম থেকেই মেধাবী ছিলেন কাব্য চোপড়া। তবে গতবার পরীক্ষায় ৯৯.৯৭ পার্সেন্টাইল পেয়েছিলেন। তাতে মন ভরেনি। তাই ২০২১ এ ফের JEE মেইন পরীক্ষায় বসেছিলেন তিনি। প্রস্তুতির শেষপর্বে রসায়নশাস্ত্রের ওপর জোর দিয়েছিলেন কাব্য। দীর্ঘ লকডাউনে একাধিকবার মনোবল ভেঙে গিয়েছে। কিন্তু পরিবার পাশে থাকায় হার মানেননি কাব্য।
কাব্যর বাবা পেশায় ইঞ্জিনিয়র । সবসময় মেয়েকে উৎসাহ জুগিয়েছেন তাঁর বাবা। কাব্য জানালেন, ‘বাবা কোনওদিন আমাকে মেয়ে বলে পড়াশুনোয় বাঁধা দেননি। বরং অনেক উৎসাহ জুগিয়েছেন। এক্ষেত্রে আমি অনেকটাই সৌভাগ্যবতী’। পড়াশুনা নিয়ে কাব্য জানান, ‘এখানেই শেষ নয়। জেইই অ্যাডভান্সড পরীক্ষায় সফল হয়ে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে বম্বে আইআইটি-তে পড়তে চায়।’ আগামীদিনে মহিলারাও যাতে বিজ্ঞান নিয়ে পড়ে, সেই ছবিই দেখতে চান কাব্য চোপড়া।

Advt