জনসংখ্যার(population) ব্যাপক বৃদ্ধিতে লাগাম টানতে একটা সময় বাধ্য হয়েই ১ সন্তান নীতি ও পরে ২ সন্তান নীতি লাগু করেছিল চিন প্রশাসন(China Government)। সরকারের এই কড়া নীতির সুফল মিলতেই অবশেষে চিনের জনগণের জন্য বড় ঘোষণা করল শি জিনপিং(XI jinping) প্রশাসন। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে চিনে ঘোষণা করে দেওয়া হল এখন থেকে চিনা দম্পতিরা তিন সন্তানের জন্ম দিতে পারবেন।

সম্প্রতি চিনের জনসংখ্যা নিয়ে একটি রিপোর্ট প্রকাশ এসেছিল। যেখানে দেখা যায় চিনের জনসংখ্যার একটি বড় অংশ শীঘ্রই বার্ধক্যের দিকে এগোচ্ছে। শুধু তাই নয়, কড়া নীতির জেরে সবচেয়ে কম গতিতে এগোচ্ছে চিনের জনসংখ্যা। বিশেষজ্ঞরা দাবি করেন, এভাবে চলতে থাকলে আগামী বছরগুলিতে চিনের জন্মহার ক্রমশ কমতে থাকবে এবং বিশ্বের সর্বনিম্ন জন্মহারযুক্ত দেশে পরিণত হবে চিন। বিষয়টিকে খেয়াল রেখেই সুদুরপ্রসারি দৃষ্টিভঙ্গিতে এবার সরকারের তরফে চিনে তিন সন্তান নীতি লাগু করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

আরও পড়ুন:বিক্ষুব্ধদের বিদ্রোহে অস্বস্তিতে অমরিন্দর, চাপ বাড়িয়ে দিল্লি পৌঁছলেন পঞ্জাবের ২৫ বিধায়ক

অন্যদিকে, জনসংখ্যা ইস্যুতে ভারতের সঙ্গে চিনের তুলনায় যে তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে তা আরও চমকপ্রদ। দাবি করা হচ্ছে, বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করলে ২০২৭ সালের আগেই চিনকে ছাপিয়ে বিশ্বের জনবহুল দেশে পরিণত হবে ভারত। জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে ২০১৯ সালে রাষ্ট্রসংঘের(United nation) রিপোর্টে বলা হয়েছিল, ২০৫০ সালের মধ্যে ভারতের জনসংখ্যা ২৭.৩ কোটি বৃদ্ধি পাবে। তবে চিনা জনগণনা বৃদ্ধির দাবি অনুযায়ী ২০২৭ সালের আগেই এই তালিকায় বিশ্বের মধ্যে শীর্ষে উঠে আসতে চলেছে ভারতের নাম। তথ্য বলছে, ২০১৯ সালে ভারতে আনুমানিক জনসংখ্যা ছিল ১.৩৭ বিলিয়ন অর্থাৎ ১৩৭ কোটি, সেখানেই চিনের জনসংখ্যা ছিল ১.৪৩ বিলিয়ন অর্থাৎ ১৪৩ কোটি। ১০ বছর পর সম্প্রতি চিনে জনগণনা হয় সেখানে দেখা যায় চিনের জনসংখ্যা সবচেয়ে কম গতিতে বৃদ্ধি পেয়েছে। সম্প্রতি এই রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতে দেখা যায় বর্তমানে চিনের জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে মাত্র ১ কোটি ৪১ হাজার ১৭৮। আর এই রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করেই চিনের সরকার পরিচালিত গ্লোবাল টাইমস ডেইলিতে চিনা জনগণনাবিদদের উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ভারতের জনসংখ্যা রাষ্ট্রসংঘের অনুমান করা বছরের আগেই চিনকে টপকে ফেলবে। সালটা আনুমানিক বলা হয়েছে, ২০২৩-২৪ সালের মধ্যে।

