নিশীথদের সামনে রেখে রাজ্য সরকারকে ‘উত্যক্ত করার খেলা’ চালাতে চায় বিজেপি

কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় বাংলার চার মন্ত্রী (4 minister from bengal)। কোনও পূর্ণমন্ত্রী নেই ১৮ সাংসদ দেওয়া পশ্চিমবঙ্গ, চাকরি গেল বাবুল সুপ্রিয় ( babul supriyo) আর দেবশ্রী চৌধুরীর (debashree Choudhury) । তবে বাংলায় দফতর বন্টন কিন্তু বলে দিচ্ছে নিশীথ প্রামাণিককে (nishith pramanik) সামনে রেখে বাংলায় কেন্দ্রের চাপ তৈরির খেলা চালাতে চায় বিজেপি (bjp)। প্রতি পদে বাংলার সরকারকে খোঁচা দিতে নিশীথ প্রামাণিক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী minister of state for home)। অমিত শাহের (amit shah) তিনজন ডেপুটির একজন। শুধু তাই নয়, উত্তরবঙ্গে বিজেপির প্রতিপত্তি বাড়াতে যুব কল্যাণের (youth development) দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে নিশীথকে। সঙ্গে ক্রীড়া। লক্ষ্য উত্তরবঙ্গের জন্য কিছু প্রকল্প, কিছু চাকরি।

বাংলার বাকি তিন মন্ত্রীর দু’জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে গোষ্ঠী রাজনীতির কথা মাথায় রেখে। শান্তনু ঠাকুর (shantanu thakur) মতুয়া (matua) সম্প্রদায়ের। বিজেপির লক্ষ্য মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক। শান্তনুর দফতর জাহাজ (mos for port, shipping)। এই দফতরে কাজ করার সুযোগ কার্যত কম। শেষবার বাংলা থেকে এই দফতরের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন মুকুল রায় (mukul roy)।

তবে বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অবশ্যই আদিবাসী নেতা জন বার্লাকে (john berla) মন্ত্রী করা। কয়েক দিন আগে আলাদা উত্তরবঙ্গের দাবি জানিয়ে প্রবল সমালোচনার মুখে পড়েন। তাকে কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু উন্নয়নমন্ত্রী (minority affairs) করে আসলে উত্তরবঙ্গে বিভাজনের রাজনীতিকে মদত দেওয়ার ইঙ্গিত দিয়ে রাখল কেন্দ্র।

শিক্ষিত, চিকিৎসক এবং তথাকথিত উগ্র গেরুয়াধারী নন সুভাষ সরকার (Dr subhas sarkar)। তাঁকে শিক্ষা দফতরের ডেপুটি (mos, education) করে আসলে রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে চাপের খেলা অব্যাহত রাখার চেষ্টা চালাবে বিজেপি। সব মিলিয়ে একুশের ভরাডুবির পর নতুন রাজ্য সরকারকে ‘খোঁচা’ ও ‘বিরক্ত’ করার সব ধরণের উপকরণ তৈরি রাখল বিজেপি।

আরও পড়ুন- মোদি-মন্ত্রিসভা: এবারও বঞ্চিত বাংলা, বঞ্চিত বঙ্গের আদি- বিজেপিও