একুশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের(TMC) অন্যতম হিট স্লোগান ‘খেলা হবে'(khela hobe) এবার পৌঁছে গেল সংসদের(parliament) অন্দরে। বুধবার অধিবেশন শুরুর পর বিরোধীদের বিক্ষোভ শুরু হতেই ওয়েলে নেমে খেলা হবে স্লোগান তোলেন তৃণমূলের সাংসদরা। তবে সংসদের অন্দরে এভাবে দলীয় শ্লোগান তোলার ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ বিজেপি(BJP) সাংসদরা। যদিও সেসবকে বিশেষ পাত্তা দিতে একেবারেই নারাজ ঘাসফুল শিবির।

২৪-এর লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতিমধ্যেই ভিন রাজ্যে সংগঠন তৈরিতে কোমর বাঁধছে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। উত্তরপ্রদেশ, ত্রিপুরাসহ একাধিক রাজ্যে সংগঠন তৈরি করছে তারা। আর এই সকল রাজ্যের ব্যবহৃত হচ্ছে তৃণমূলের জনপ্রিয় স্লোগান ‘খেলা হবে’। স্লোগানে স্লোগানে উজ্জীবিত দলের কর্মী সমর্থকরা। এরই মাঝে এদিন সংসদের অন্দরেও স্লোগান উঠলো “খেলা হবে”। উল্লেখ্য, এর আগে রাজ্যে বিধানসভা অধিবেশন চলাকালীন বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভের মাঝে তৃণমূল বিধায়কের ‘খেলা হবে’ স্লোগান দিতে দেখা যায়। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করে দেন ‘খেলা হবে দিবস’। আগামী ১৬ আগস্ট গোটা রাজ্য জুড়ে এই খেলা হবে দিবস পালন করা হবে। ওই দিন রাজ্যের ক্লাবগুলিকে দেওয়া হবে ১০টি করে ‘জয়ী’ বল।

এদিকে দেশজুড়ে খেলা হবে স্লোগান ছড়িয়ে পড়ার প্রসঙ্গে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের দাবি, শুধুমাত্র রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে গোটা দেশে খেলা হবে স্লোগান ছড়িয়ে দিতে চাইছে তৃণমূল। এর অন্যতম কারণ মূলত বঙ্গ নির্বাচনে খেলা হবে স্লোগানে ভর করে আকাশছোঁয়া সাফল্য পেয়েছে ঘাসফুল শিবির। আর সেই পথ ধরেই ২৪-এর লোকসভা নির্বাচনেও এই স্লোগানকে তুলে ধরে দিল্লি দখল করতে মরিয়া বঙ্গের শাসক দল।
