উত্তরবঙ্গকে (North Bengal) পৃথক রাজ্য করার দাবি নিয়ে জন বার্লার (John Barla) সুরেই সুর মিলিয়ে ছিলেন রাজ্য বিজেপি (BJP) সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তবে এই ইস্যুতে দিলীপ ঘোষের ঠিক উল্টো পথে হাঁটলেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায় (Locket Chatterjee), প্রাক্তন বিজেপি রাজ্য সভাপতি রাহুল সিনহারা (Rahul Sinha)। এই দুই শীর্ষ নেতা-নেত্রী পৃথক উত্তরবঙ্গের যে দাবি কথা তুলেছিলেন দিলীপ ঘোষ, তার তীব্র বিরোধিতা করেন।

https://youtu.be/qsq-8b_Y7JA
আজ, রবিবার রাখিবন্ধন উপলক্ষে হুগলির চুঁচুড়ায় একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের বিরোধিতা করে বলেন, “বাংলা কখনও ভাগ হবে না”। আর রাহুল সিনহা বলেন, “বাংলা ভাগ নিয়ে পার্টির কোনও নীতি নেই। আমরা বাংলা ভাগের বিরুদ্ধে।” পৃথক উত্তরবঙ্গ রাজ্যের দাবির পালটা জবাব দিয়েছে তৃণমূল। এ প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেন, “সারা ভারতের ক্ষতি হচ্ছে রাজনৈতিক লাভ করবার জন্য। রাজনৈতিক স্বার্থে ভারত ভাগ হয়েছিল। তাই চাই না ভারতবর্ষ আবার ভাগ হোক। আমরা সব ভাই-বোন ভারতে একসঙ্গে থাকতে চাই।”
প্রসঙ্গত, পৃথক উত্তরবঙ্গ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন

আলিপুরদুয়ারের বিজেপি সাংসদ জন বার্লা। এরপর বিষয়টি নিয়ে সেভাবে কথা বলতে শোনা যায়নি দিলীপ ঘোষকে। বরং, জন বার্লার বক্তব্যকে তখন সেভাবে কেউ সমর্থন করেনি। কিন্তু উত্তরবঙ্গে গিয়ে শনিবার হঠাৎ জন

বার্লার পাশে বসেই পৃথক উত্তরবঙ্গের দাবিকে সমর্থন করেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি। এরপর এদিন দিলীপ ঘোষের মন্তব্যের উল্টো সুর শোনা যায় বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব লকেট চট্টোপাধ্যায় ও রাহুল সিনহার গলায়। বিজেপি নেতাদের পরস্পর বিরোধী এই মন্তব্য নিয়ে গেরুয়া শিবিরের অন্দরে চরম অস্বস্তি দেখা দিয়েছে।
