অফেন্স ইজ দা বেস্ট ডিফেন্স! বিশেষ করে যখন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার, তখন আইনের শাসন চেয়ে আদালতে তো যেতেই হতো। ঠিক তেমনই করলেন ডায়মন্ড হারবারে সাংসদ তথা তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সরাসরি ইডি’র বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর স্ত্রী রুজিরা। আগামী ২১ সেপ্টেম্বর ফের একবার ইডি দিল্লিতে তলব করেছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তারই প্রেক্ষিতে আদালতের কাছে অভিষেক-রুজিরার আর্জি, তাঁদের বিরুদ্ধে জারি করা ইডি’র সমন যেন খারিজ করা হয়। কারণ, কলকাতায় যে মামলার তদন্ত চলছে তার জন্য কেন বারবার দিল্লিতে তাঁদের তলব করা হচ্ছে? এমনকী, অভিষেক-রুজিরার আইনজীবীরা মনে করছেন, এই মামলা সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁদের মক্কেলকে হেনস্থা করার চক্রান্ত!


TMC leader Abhishek Banerjee approaches Delhi High Court challenging Enforcement Directorate summons. In his petition, he seeks the Court's direction to setting aside and quashing the summons under Sec 50 of PMLA.
(File photo) pic.twitter.com/KtaSCLy1WM
— ANI (@ANI) September 17, 2021
কয়লাকাণ্ডের তদন্তের প্রেক্ষিতে ইডি-কে আগাম চিঠি দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা। দিল্লিতে ডেকে পাঠানোর পরিবর্তে কলকাতার বাড়িতে এসে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক বলে ইডির কাছে চিঠি দিয়ে অনুরোধ করেছিলেন রুজিরা। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটকে লেখা চিঠিতে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বলেছিলেন, ‘’বাড়িতে ২টি ছোট সন্তান রয়েছে। করোনা পরিস্থিতিতে দিল্লি যাওয়া ঝুঁকিপূর্ণ। তাই কলকাতার বাড়িতে এসে জিজ্ঞাসাবাদ করা হোক। আমি তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।’’

এখানেই শেষ নয়। অভিষেকের আরও অভিযোগ, “ইডি কেন্দ্রীয় সরকার প্রভাবিত। ফলে তাদের তদন্তের সত্যতা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় ও আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থ মন্ত্রকের অধীন থাকা এই সংস্থাকে দিয়ে ভয় দেখানো, হুমকি দেওয়ার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে। মিথ্যা মামলায় জড়ানো হচ্ছে।”

অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইনি পথে গিয়ে কেন্দ্রীয় সংস্থার সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করে কলকাতা থেকে দিল্লি গিয়ে ইডি দফতরে হাজিরা দেন গত ৬ সেপ্টেম্বর। তাঁকে টানা ৯ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে ইডি। সেখান থেকে বেরিয়ে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলে অভিষেক তোপ দাগেন মোদি-শাহের সরকার ও বিজেপির বিরুদ্ধে।


আরও পড়ুন- রাজ্য পুলিশ নয়, ভবানীপুরের ভোটের দায়িত্বে শুধু কেন্দ্রীয় বাহিনী

