খোয়াই থানার নোটিশ, ভিত্তিহীন অভিযোগে হেনস্থার চেষ্টা দাবি কুণালের

ত্রিপুরায় (Tripura) বিজেপির (BJP) পায়ের তলা থেকে মাটি ক্রমশ সরছে। তাই পুলিশ প্রশাসনকে ব্যবহার করে বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীদের হেনস্থার পথ বেছে নিয়েছে বিজেপি পরিচালিত বিপ্লব দেব সরকার। এবার খোয়াই থানায় (Khoyai PS) অবস্থানের ঘটনায় নতুন করে তৃণমূল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সম্পাদক তথা মুখপাত্র কুণাল ঘোষকে (Kunal Ghosh) তলব করল ত্রিপুরা পুলিশ। কুণাল ঘোষ সরকারি কাজে বাধা দিয়েছেন, এই মর্মে নোটিশ দিয়ে তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়। ত্রিপুরা পুলিশের তরফ থেকে একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়েছে কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় -সহ ৬ জনের বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করা হয়।

খোয়াই থানায় পুলিশের দেওয়া নোটিশের প্রাপ্তি স্বীকার করেছেন কুণাল ঘোষ। এবং তিনি নিজেই টুইট করে সেই খবর জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষের বক্তব্য, ”এই অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই। আমাদের হেনস্থা করা হচ্ছে। আসলে ত্রিপুরাতে বিজেপি ক্রমশ জমি হারাচ্ছে। আর সেই আতঙ্ক থেকেই তারা এমন কাজ করছেন। হাজিরা দেব, তৃণমূল ভয় পায় না।”

কুণাল ঘোষ আরও বলেন, ”এটা তো একটা চলমান আইনি লড়াই। হাইকোর্ট ইতিমধ্যেই জানিয়েছে চার্জশিট পেশ করা যাবে না। এখন হেনস্থা করার জন্য নোটিশ দিয়েছে। ১০ দিনের মধ্যে হাজিরা দেওয়ার কথা বলেছেন। অব্যশই যাবো। পুলিশকে অনুরোধ করব, জিজ্ঞাসাবাদের সময় যেন সমস্ত কথোপকথন ভিডিও রেকর্ড করা থাকে।”

প্রসঙ্গত, তেইশের বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ৎত্রিপুরায় তৃণমূলের একটা সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ওই রাজ্যের মানুষ বিকল্প খুঁজছে। এরপর থেকে সংগঠন বাড়ানোর লক্ষ্যে নিয়ম করে তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রী, বিধায়ক, সাংসদ থেকে শুরু করে সেই রাজ্যে যাচ্ছেন নেতৃত্ব। কুণাল ঘোষও একাধিক কর্মসূচি নিয়ে ত্রিপুরায় একাধিকবার গিয়েছেন। এর আগে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীদের আক্রমণের শিকার হয়েছিলেন তৃণমূলের যুবনেতৃত্ব। আক্রান্ত, রক্তাক্ত হওয়ার পর তাঁদের অন্যায় ভাবে থানায় আটকে রাখা হয়েছিল। সেই হেনস্থার ঘটনায় খোয়াই থানায় গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কুণাল ঘোষ, ব্রাত্য বসু, দোলা সেন-সহ তৃণমূল নেতৃত্ব। সেটাকেই সরকারি কাজে বাধা বলে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা করছে ত্রিপুরা পুলিশ।

আরও পড়ুন:যোগীর পথেই মোদি! কেন্দ্রের সাফল্য দেখাতে লস অ্যাঞ্জেলসের ছবি ব্যবহারের অভিযোগ