Wednesday, April 22, 2026

শানু-নচি সঙ্গীত সন্ধ্যায় বন্ধুত্বের বার্তায় জমজমাট পরেশের বিজয়া সম্মেলনী

Date:

Share post:

বাংলার সঙ্গীত জগতে দুই মহান নক্ষত্র কুমার শানু ও নচিকেতা চক্রবর্তী। দুই বাঙালির সঙ্গীত চর্চা বা ঘরনা নিয়ে বিতর্ক চিরকালীন। প্রথমজন বলিউডের “কিং অফ মেলোডি” তো পরের জন বাঙালির জীবনমুখী গানের স্রষ্টা।

বিনোদন জগতের বিতর্ককে আরও বিনোদনমুখী করে তুলতে শানু আর নচিকেতার অনেক গল্প রচিত আছে। একজন অন্যজনকে সহ্য করতে পারেন না। নচির একটি গানে নাকি শানুকে খোঁচা মেরে “কুমার পানু” শব্দ বন্ধনীর ব্যবহার আছে।

এবার সব বিতর্ক রিউমারকে দূরে ঠেলে একমঞ্চে কুমার শানু আর নচিকেতা। কাঁকুড়গাছিতে বেলেঘাটার উৎসবপ্রেমী তৃণমূল বিধায়ক পরেশ পালের উদ্যোগে বিজয়া সম্মিলনী। আর সেখানেই বাংলা সংগীত জগতের দুই দিকপাল-কিংবদন্তি শিল্পীর সহাবস্থান। শুধু গান নয়। হাতে হাত রেখে বন্ধুত্বের বার্তা। সমালোচকদের মুখে ঝামা ঘষে দিয়ে নচির হাত ধরে শানু দীপ্তনকণ্ঠে বললেন, “আমাদের কোনও ঝগড়া নেই। ওসব মিডিয়ার বানানো গল্প। কেউ বিশ্বাস করবেন না।” সমর্থনের ইঙ্গিতে মুচকি হাসলেন নচিকেটাও।

তখন মঞ্চ আলো করে ছিলেন বিধায়ক তাপস রায়, তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ, জীবন সাহা, পবিত্র বিশ্বাস, আশুতোষ দাস, অপু মুখার্জি সহ আরও অনেকে। আর সঞ্চালনায় বিশ্বনাথ। সবমিলিয়ে শানু-নচি সঙ্গীত সন্ধ্যায় বন্ধুত্বের বার্তা দিয়ে জমজমাট পরেশ পালের বিজয়া সম্মেলনী।

আরও পড়ুন- বাণিজ্য সম্মেলন নিয়ে ভোলবদল রাজ্যপালের! কুণাল বললেন চাকরি বাঁচাতে দলদাস ধনকড়

 

Related articles

ফায়ার স্টেশন থেকে পোর্টের জমি পুনরুদ্ধার! বড়বাজারের ভোলবদলের কথা মনে করিয়ে দিলেন নেত্রী

বন্দর কর্তৃপক্ষের অধীনে থাকা বড়বাজারের জমি পুনরুদ্ধার থেকে ব্যবসায়ীদের জন্য কমিটি— তৃণমূল জমানায় বড়বাজার এলাকায় উন্নয়নের জোয়ার। মঙ্গলবার...

ড্রাই ডে করল কে? কমিশনের প্রশাসন আর সিইও-র দায় ঠেলাঠেলি!

রাজ্যের প্রশাসনের সব ক্ষমতা নির্বাচন কমিশনের হাতে। অথচ কমিশনের নির্দেশ ছাড়া না কি কাজ করছে আবগারি দফতর! রাজ্যে...

ডিএ বৃদ্ধি-প্রকল্প ঘোষণা জুমলা সরকারের ‘নির্বাচনী টোপ’! কেন্দ্রের বিরুদ্ধে সুর চড়ালেন নেত্রী

বাজেটে কোনও ঘোষণা করেনি কেন্দ্র। ভোটের মুখে বিধি ভেঙে মাতৃশক্তি কার্ড বিলি, আবার কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ২ শতাংশ...

তৃণমূল নেত্রীকে কমিশনের নিষেধাজ্ঞা! পতাকা-প্রতীক ছাড়াই আড্ডা মমতার

কখনও হেলিকপ্টার উড়তে বাধা। কখনও সভা করতেই অনুমতি নেই। বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর জন্য হরেক নিয়ম লাগু করার জন্যই নির্বাচন...