Wednesday, February 25, 2026

জেলার বিধায়কদের এনে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা বিজেপির, আটকে দিল প্রশাসন

Date:

Share post:

পুরভোট চলছে কলকাতা(Kolkata)। জারি ১৪৪ ধারা। এমন দিনেই জেলার বিধায়কের শহরে এনে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ উঠল বিজেপির(BJP) বিরুদ্ধে। যদিও বিজেপির এই প্রচেষ্টা ব্যর্থ করল রাজ্য পুলিশ। রবিবার ভোট চলাকালীন এমএলএ হোস্টেলের(MLA hostel) উপস্থিত থাকা বিজেপি বিধায়ক বাইরে বের হতে দিল না কলকাতা পুলিশ। এই ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ বিজেপি বিধায়করা। এ বিষয়ে রাজ্যপালের কাছে তারা অভিযোগ জানাবেন বলে জানা গিয়েছে।

বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজ্যের সমস্ত বিজেপি বিধায়ককে বৈঠকের জন্য এদিন নিজের বাড়িতে ডেকেছিলেন পরিষদীয় দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বৈঠকে যোগ দিতে শনিবার এমএলএ হোস্টেলে এসে উঠেছিলেন ৮ বিধায়ক। সকালে তারা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দিলে তাদের আটকায় পুলিশ। নির্বাচনের দিন যাতে কোনওরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে তার জন্য এমএলএ হোস্টেলের গেটে তালা দিয়ে দেওয়া হয়। ফলস্বরূপ বাইরে বের হতে পারেননি বিধায়করা। এ ঘটনায় হোস্টেলের গেটের সামনে বসে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন ওই ৮ বিজেপি বিধায়ক। পাশাপাশি অন্যান্য বিধায়করা শুভেন্দু অধিকারীর বাড়িতে বৈঠকে যোগ দিলে অশান্তির আঁচ করে তার বাড়ির বাইরেও উপস্থিত থাকতে দেখা যায় প্রচুর পুলিশকে। তবে পুলিশের এহেন ব্যবহারে যারপরনাই ক্ষুব্ধ বিজেপি বিধায়করা। ইতিমধ্যেই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাজ্যপালের কাছে এ বিষয়ে অভিযোগ জানানোর। বিধায়কের সঙ্গে বৈঠক সেরে সন্ধ্যায় বাড়ির বাইরে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়াতে দেখা যায় শুভেন্দুকেও। পাশাপাশি নির্বাচন শেষ হওয়ার পর এমএলএ হোস্টেলের গেটের তালাও খুলে দেয় পুলিশ।

আরও পড়ুন:Suchetana: শান্তিপূর্ণ ভাবেই চলছে ভোটগ্রহণ: মাকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিয়ে বললেন বুদ্ধদেব-কন্যা সুচেতনা

এ ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, পুলিশ যদি এহেন পদক্ষেপ নিয়ে থাকে তাহলে তা অবশ্যই প্রশংসার যোগ্য। কারণ নির্বাচন চলাকালীন জেলা থেকে সমস্ত বিধায়করা কলকাতায় এসে জড়ো হওয়াটা স্বাভাবিকভাবেই সন্দেহজনক। ১৪৪ ধারা জারি করেছে শহরে। এই পরিস্থিতিতে জেলা থেকে এসে ওই বিধায়করা ভোটারদের প্রভাবিত করতে পারেন। ফলে পুলিশ যদি অশান্তি এড়াতে এমন পদক্ষেপ নিয়ে থাকে তবে তা অবশ্যই সাধুবাদযোগ্য। পাশাপাশি নির্বাচনের দিনেই কেন শুভেন্দু অধিকারী জেলার বিধায়কদের শহরের ডেকে পাঠালেন বৈঠকের জন্য, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয় তৃণমূলের তরফে। তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, কেন নির্বাচনের দিন জেলার বিজেপি বিধায়করা জড়ো হবেন। অসৎ উদ্দেশ্য নিয়েই এই জমায়েত হয়েছিল। প্রশাসনের উচিত বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করার।

spot_img

Related articles

প্রবল তুষারপাতে বন্ধ রাস্তা, সেনা নামিয়ে উদ্ধার কয়েক হাজার পর্যটক

প্রবল তুষারপাতে বিপর্যস্ত উত্তর- পূর্ব সিকিম (North-East Sikkim)। ভরা মরশুমে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছেন বহু...

অভিষেকের নির্দেশে পাকিস্তানে আটক মৎস্যজীবীদের বাড়ি তৃণমূলের সাংসদ-বিধায়ক

নামখানার তিন জন মৎস্যজীবী আটক রয়েছেন পাকিস্তানে। তিন বছর হয়ে গেল খোঁজ নেই আজও। এদিকে চিন্তায় রয়েছেন তাঁর...

মোদি সরকারের বইতে বিচার ব্যবস্থার অবমাননা: NCERT-র বিরুদ্ধে মামলার পথে সুপ্রিম কোর্ট!

খোদ কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের অধীনে এনসিইআরটি। সাম্প্রতিক সময়ে একাধিক বর্ষের একাধিক সিলেবাসে এমন বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, যা...

উদাহরণ কেরালম, ফের দিল্লিকে ‘ইন্দ্রপ্রস্থ’ করার দাবি জানিয়ে চিঠি বিজেপি সাংসদের

বামশাসিত কেরালার নাম বদলে সিলমোহর মিলতেই ফের রাজধানীর নাম পরিবর্তনের ধুঁয়ো তুলল বিজেপি। মঙ্গলবারই, রাজ্যের দাবি মেনে আনুষ্ঠানিকভাবে...