Friday, January 30, 2026

Sandhan Pande: অপরাজিত বিধায়ক,নজির হয়ে রইল সাধনের রাজনৈতিক জীবন

Date:

Share post:

প্রয়াত রাজ্যের বর্ষীয়ান মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর৷ আজ মুম্বইয়ের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি৷ তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া রাজনৈতিক মহলে।

আরও পড়ুন:Sadhan Pande: প্রয়াত মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে,ট্যুইটারে শোকপ্রকাশ মুখ্যমন্ত্রীর
উত্তর কলকাতা থেকেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের পথচলা। সত্তরের দশকের শেষের দিক থেকে প্রথমে মানিকতলা-বড়তলা এলাকায় রাজনৈতিক কেরিয়ারের হাতেখড়ি। একদা এলাকায় প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতা অজিত পাঁজার অনুগামী হিসেবেই পরিচিত ছিলেন তিনি। তবে তাঁর জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে মানুষের জন্য কাজ করার কারণে অল্প সময়ের মধ্যে সর্বভারতীয় কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক রাজেন্দ্রকুমারী বাজপেয়ীর ঘনিষ্ঠ হন। পরে তৃণমূলের সঙ্গে থেকেছেন মন্ত্রী সাধন পাণ্ডে।

১৯৮৫ সালের মার্চ মাসে বড়তলা বিধানসভার উপনির্বাচন হয়।সেই নির্বাচনে প্রথম প্রার্থী হয়ে জয়লাভ করেন।সাফল্যের সেই শুরু। তারপর থেকে টানা ন’বার রাজ্য বিধানসভার সদস্য হয়েছেন তিনি। ১৯৮৫-র উপনির্বাচনের পর ১৯৮৭,১৯৯১, ১৯৯৬, ২০০১ ও ২০০৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বড়তলা কেন্দ্র থেকে জেতেন তিনি। এর মধ্যে ১৯৮৫ থেকে ২০০১ পর্যন্ত ছিলেন কংগ্রেসের বিধায়ক। ২০০১ থেকে তৃণমূলের বিধায়ক ছিলেন তিনি।

১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ছেড়ে একটি স্বতন্ত্র দল গঠন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বছরেই ফেব্রুয়ারিতে লোকসভা নির্বাচনে কলকাতা উত্তর-পূর্ব আসন থকে তৃণমূলের প্রার্থী হন অজিত পাঁজা। সেই নির্বাচনে তাঁর বিরুদ্ধে কংগ্রেসের প্রার্থী হন সাধন পাণ্ডে। এরপর ২০০১ সালে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন সাধন পাণ্ডে। ২০০১ এবং ২০০৬ সালে তৃণমূল প্রতীকেই বড়তলার বিধায়ক হন।এরপর আসন পুনর্বিন্যাসের জেরে ২০০৯ সালে লুপ্ত হয়ে যায় বড়তলা কেন্দ্র। এরপর থেকে নতুন বিধানসভা কেন্দ্র মানিকতলা থেকেই লড়াই করেন তিনি। ২০১১ সালে মানিকতলায় তাঁকে প্রার্থী করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভোটে জেতার পর ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের মন্ত্রী করা হয়।এরপর ২০২১ সাল পর্যন্ত ওই দফতর সামলানোর দায়িত্ব ছিল সাধনের হাতেই।

শুধু তাই নয়, তাঁর উপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অপরিসীম আস্থা ছিল। তাই ক্রেতা সুরক্ষা বিভাগ ছাড়াও স্বনির্ভর গোষ্ঠী এবং স্বনিযুক্তি দফতরের মন্ত্রীও করা হয় সাধনকে। এতবছরের রাজনৈতিক জীবনে একবারও বিধানসভা ভোটে হারেননি তিনি।সাধনের মৃত্যুতে শোকাহত রাজনৈতিক মহল।

spot_img

Related articles

মাধ্যমিকের আগে অ্যাডমিট বিভ্রাট: কড়া পদক্ষেপ হাইকোর্টের

মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে অ্যাডমিট কার্ড নিয়ে বিভ্রাট নতুন নয়। এবছরও তার ব্যতিক্রম হল না। ফের একবার কলকাতা হাই...

রাজ্যের ঘরোয়া উৎপাদন বাড়ল: সংসদে তথ্য পেশ কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের

২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে বর্তমান মূল্যে পশ্চিমবঙ্গের নেট রাজ্য ঘরোয়া উৎপাদন - এনএসডিপি ৯.৮৬ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬.৩২ লক্ষ কোটি...

আনন্দপুর-অগ্নিকাণ্ডে BJP-র দ্বিচারিতা: মৃতদের পরিবার পিছু ২ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্য মোদির, শুভেন্দু রাজ্যের কাছে চান ৫০ লাখ!

বিধানসভা নির্বাচনের আগে হওয়া গরম করতে বিজেপি নেতা ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে মৃতদের পরিবার পিছু ৫০ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ...

পদ্মশ্রী টদ্দশ্রী‘-র পরে ‘Emni’ প্রসেনজিতের বাড়িতে দেব! ভুলবোঝাবুঝি সামলে দায়িত্বপালন জ্যেষ্ঠপুত্রের

একেবারে দেবের(Dev) সিগনেচার নেচার। খারাপ কথা বলে, আবার মন গলাতে ক্ষমা প্রার্থনা। বুধবার ইম্পার ডাকা স্ক্রিনিং কমিটির বৈঠকে...