Wednesday, June 3, 2026

বেতন বছরে ১ কোটি ৪০ লক্ষ টাকা! রাতারাতি বিখ্যাত কৃষ্ণনগরের দেবর্ষি

Date:

Share post:

গুগলে (Google) তাঁর বেতন বছরে ১ কোটি ৪০ লক্ষ। রত্নগর্ভা কৃষ্ণনগরের দেবর্ষির মৈত্রর( Deborshi Maitra) মা বকুল মৈত্র(Bokul Maitra)। সত্যি এর চেয়ে বড়প্রাপ্তি কোনও মায়ের হতে পারেনা। এমনই অভাবনীয় সাফল্যর দাবিদার নদিয়া জেলার কৃষ্ণনগরে (Krishnanagar) ঘূর্ণির দেবর্ষি মৈত্র রাতারাতি বিখ্যাত। মাত্র তিনদিন  আগেই গুগলের (Google) অফিস থেকে চাকরির নিশ্চিতকরণের মেইল আসছে তাঁর কাছে।

মাত্র ২৩ বছর বয়সে ছেলের এমন সাফল্যে গর্বিত দেবর্ষির বাবা বাদল মৈত্র। তবে ছোটবেলায় ছেলে-মেয়ের ভিত নিজে হাতেই গড়ে তুলেছেন তিনি। জানা গিয়েছে, ঘূর্ণির একেবারে সাদামাটা, নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান দেবর্ষি মৈত্র। তাঁর বাবা বাদল মৈত্র গ্রিলের দোকানের ব্যবসায়ী। মা সাধারণ গৃহবধূ। দিদি স্কুল শিক্ষিকা।

এলাকার খুব ভাল এবং মেধাবি ছেলে হিসেবেই পরিচিত দেবর্ষি। ২০১৬ সালে কৃষ্ণনগর হাইস্কুল থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় পাশ করে কৃষ্ণনগর কলেজিয়েট স্কুলে ভর্তি হন। কলেজিয়েট স্কুল থেকেই উচ্চ মাধ্যমিক দেন এরপর জয়েন্ট পরীক্ষা দিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রোডাকশন ইঞ্জিনিয়ারিং ভর্তি হন তিনি। তারপর স্নাতক স্তরে পরীক্ষা শেষ করে দেবর্ষি নিজেই গুগল-এর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কঠিনতম ধাপগুলি পেরিয়ে গুগলের জন্য মনোনীত হন দেবর্ষি। দেবর্ষির সাফল্যে একদিকে যেমন খুশি তার মা-বাবা এবং শিক্ষকরাও।




Related articles

১৮ বছর পর হাতে এল অফার লেটার! অবসরের বয়স পেরিয়ে মজিদ পেলেন ‘হতাশার’ চিঠি

সরকারি চাকরির স্বপ্ন বুনেছিলেন দুই দশক আগে। পরীক্ষা দিয়ে মেধা তালিকায় জায়গাও করে নিয়েছিলেন। কিন্তু সেই স্বপ্নের চিঠি...

ফর্ম জমার আগেই অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা! কারা পেলেন সুবিধা? তালিকা নিয়ে কাঠগড়ায় বিজেপি

অন্নপূর্ণা যোজনার সূচনা থেকেই স্বচ্ছতার সওয়াল করে এসেছে নতুন বিজেপি সরকার। ভুয়ো উপভোক্তা ছেঁটে ফেলে প্রকৃত প্রাপকদের হাতে...

এবিভিপির চক্রান্তে মিথ্যা মামলায় ধৃত ছাত্রনেতা! শোকে হৃদরোগে মৃত্যু বাবার

ছেলের গ্রেফতারির ধাক্কা সহ্য করতে পারলেন না বাবা। মিথ্যা মামলায় পুলিশের হাতে ছেলের বন্দি হওয়ার খবর শুনেই হৃদরোগে...

‘হাজার হাজার হকারের পেটে লাথি মারা হয়েছে’, অবিলম্বে ক্ষতিপূরণের দাবিতে ধর্মতলায় সরব মমতা

পুনর্বাসন ছাড়া হকারদের উচ্ছেদ করা তৃণমূলের নীতি নয়। আমরা সব সময় মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে এই সমস্যার সমাধান করেছি।...