World record: বিশ্ব রেকর্ড বাংলার, এক ইনিংসে ৯ ব্যাটসম্যানের হাফ সেঞ্চুরি

বিশ্বের সব ধরনের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট মিলিয়ে এর আগে আট ব্যাটসম্যানের এক ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি রেকর্ড রয়েছে।সেটি ১৮৯৩ সালে হয়েছিল

বিশ্ব রেকর্ড গড়ল বাংলা ক্রিকেট (Bengal cricket team) দল। একটি ইনিংসে ৯ জন ব্যাটসম্যানই হাফ সেঞ্চুরি করে তাক লাগিয়ে দিলেন। বিশ্বের সব ধরনের প্রথম শ্রেণীর ক্রিকেট মিলিয়ে এর আগে আট ব্যাটসম্যানের এক ইনিংসে হাফসেঞ্চুরি রেকর্ড রয়েছে।সেটি ১৮৯৩ সালে হয়েছিল। ১২৯ বছর পর সেই রেকর্ড ভেঙে নয়া রেকর্ড গড়লো বাংলা ক্রিকেট দল। রনজি ট্রফি কোয়ার্টার ফাইনালে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে ৭ উইকেটে ৭৭৩ রান তুলে ডিক্লেয়ার করে দেয় বাংলা দল।
প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনেও বাংলার দাপট অব্যাহত রইল রঞ্জিতে (ranjy trophy)। বাংলার ব্যাটসম্যানদের কাবু করার মন্ত্র খুঁজে পেলেন না ঝাড়খন্ড বোলাররা। সুদীপ ঘরামি ও অনুষ্টুপ মজুমদারের জোড়া শতরান। অভিষেক রামন, অভিমন্যু ইশ্বরন, মনোজ তিওয়ারি ও অভিষেক পোড়েলের হাফ-সেঞ্চুরি।
টপ অর্ডারের দুই ব্যাটসম্যানের সেঞ্চুরি এবং চার জনের হাফ-সেঞ্চুরির দৌলতে ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে রঞ্জি ট্রফির কোয়ার্টার ফাইনালে রানের পাহাড়ে বাংলা। বেঙ্গালুরুর জাস্ট ক্রিকেট অ্যাকাডেমি গ্রাউন্ডে টস হেরে শুরুতে ব্যাট করতে নামে বাংলা। তারা প্রথম দিনের খেলা শেষ করে ১ উইকেটে ৩১০ রান তুলে। সুদীপ ১০৬ ও অনুষ্টুপ ৮৯ রানে অপরাজিত ছিলেন। দ্বিতীয় দিনে খেলতে নেমে ব্যক্তিগত শতরানের গণ্ডি টপকে যান গত দিনের দুই অপরাজিত ব্যাটসম্যানই। অনুষ্টুপ ১৫টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১৯৪ বলে ১১৭ রান করে আউট হন। সুদীপ সাজঘরে ফেরেন ব্যক্তিগত দ্বিশতরানের দোরগোড়া থেকে। ২১টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ৩৮০ বলে ১৮৬ রান করে আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তে আউট হয়ে মাঠ ছাড়তে হয় সুদীপকে।
আগের দিন চোট পেয়ে মাঠ ছাড়া অভিষেক রামন দ্বিতীয় দিনে ফের ব্যাট করতে নামেন। তিনি আউট হন ব্যক্তিগত ৬১ রানের মাথায়। ১০৯ বলের ইনিংসে ৮টি চার ও ১টি ছক্কা মারেন রামন। মনোজ তিওয়ারির সঙ্গে জুটি বেঁধে বাংলাকে ৫০০ রানের গণ্ডি পার করান নবাগত উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান অভিষেক পোড়েল। তিনিও আম্পায়ারের বিতর্কিত সিদ্ধান্তের শিকার হন।
১১টি বাউন্ডারির সাহায্যে ১১১ বলে ৬৮ রান করে সাজঘরে ফেরেন পোড়েল। শাহবাজ আহমেদকে সঙ্গে নিয়ে দিনের বাকি সময়টুকু নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দেন মনোজ। আপাতত দ্বিতীয় দিনের শেষে বাংলা তাদের প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ৫৭৭ রান তুলেছে। মনোজ তিওয়ারি ৩টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে ১৪৬ বলে ৫৪ রান করে অপরাজিত রয়েছেন।শাহবাজ ১টি ছক্কার সাহায্যে ১০ বলে ৭ রান করে নট-আউট থাকেন। ঝাড়খণ্ডের হয়ে ১২২ রানে ২টি উইকেট নেন সুশান্ত মিশ্র। ১টি করে উইকেট নিয়েছেন রাহুল শুক্লা, শাহবাজ নদিম ও অনুকূল রায়। এবার এই ম্যাচ জেতানোর দায়িত্ব বাংলার বোলারদের।


Previous articleটেট উত্তীর্ণদের একাংশের নবান্ন অভিযান, বিশৃঙ্খলা মহানগরে