অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার (Annapurna Vander) প্রকল্পে কাজ করতে নারাজ বসিরহাটের (Basirhat)বহু বিএলও। হোয়াটসঅ্যাপে মেসেজ করে তাঁদের বিডিও অফিসে ডাকা হয়েছিল। কিন্তু সেখানে না গিয়ে স্কুল পরিদর্শকের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। এসআইআরের অভিজ্ঞতা থেকে তাঁরা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ফর্ম ফিল-আপের কাজ করতে শঙ্কিত। তাঁদের দাবি, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডারের ১২ পাতার ফর্ম ফিল-আপ করলেও বহু মহিলার নাম বাদ যাবে। আর সেক্ষেত্রে একই ভাবে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের শিকার হবেন তাঁরা। তাঁদের অভিযোগ, এসআইআরের সময়ও একই সমস্যা হয়েছিল। যাঁদের নাম বাদ পড়েছিল, তাঁদের যাবতীয় ক্ষোভ এসে পড়েছিল বিএলওদের ওপর। ফলে এবারও সেই একই আশঙ্কা করছেন তাঁরা। ফলে তাঁরা সেই কাজ আর করতে চাইছেন না। তাঁরা বলছেন, এই কাজ অনেক কঠিন ও সময়সাপেক্ষ। ফলে স্কুলে তাঁরা সময় দিতে পারবেন না। এর জেরে পড়ুয়াদের পঠন-পাঠনে প্রচুর ক্ষতি হবে। তাই তাঁরা যে কাজের জন্য নিযুক্ত সেই শিক্ষকতার কাজেই ফিরতে চান।

বিএলওদের এই বিক্ষোভে অন্নপূর্ণা যোজনার কাজ এখন বিশ বাঁও জলে। তাঁদের আরও দাবি, জোর করে তাঁদের এই কাজে নিযুক্ত করতে পারে না বর্তমান রাজ্য সরকার। তাঁরা যদি এই কাজে করেন তাহলে মুশকিলে পড়বে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ১ জুন থেকে স্কুল খুলবে, তাঁরা চান স্কুলে ফিরতে। শুক্রবার দুপুরে বসিরহাট নিউ সার্কেল স্কুল পরিদর্শকের অফিসের সামনে শতাধিক স্কুল শিক্ষক, যাঁরা বিএলওর কাজ করেছিলেন তাঁরা এই দাবিতে বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের দাবি, এসআইআরের পর এবার অন্নপূর্ণা যোজনার কাজ করতে গেলে পঠন-পাঠন শিকেয় উঠবে। তাঁরা আরও জানান, “অন্নপূর্ণা যোজনার কাজ আমাদের নয়। আমরা শিক্ষক, তাই শিক্ষাঙ্গনে ফিরতে চাই। এখন বিএলওরা এভাবে মুখ ফেরানোয় যোজনার কাজ কীভাবে ৯০ দিনের মধ্যে হবে সে বিষয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে।”

–

–

–

–

–

–
–
