Thursday, April 23, 2026

সুস্থ হয়ে কাজে যোগ দেবেন: বাড়ি ফিরে অন্য লড়াই শুরু রেণুর

Date:

Share post:

অবশেষে ঘরে ফিরলেন রেণু খাতুন (Renu Khatun)। নয় দিনের লড়াই শেষে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামে (Ketugram) বাবার বাড়িতেই ফিরলেন তিনি। সরকারি হাসপাতালের নার্সের চাকরি পাওয়ায় ডান হাতের কবজি কেটে দেয় তাঁর স্বামী শরিফুল শেখ (Shariful Sheikh)। সেখান থেকেই লড়াই শুরু। সোমবার, বেসরকারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে রেণু জানান, আবার নতুন করে লড়াই শুরু হচ্ছে। সুস্থ হলে চাকরিতে যোগ দেবেন বলে জানান তিনি।

হাসপাতাল থেকে এদিন হুইল চেয়ারে রেণুকে হাসপাতাল থেকে বার করেন আত্মীয়রা। এরপর গাড়িতে করে রেণুকে কেতুগ্রামে চিনিসপুরের বাপের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। রেণুর মতে, ‘‘খুব আনন্দ হচ্ছে। সুস্থ হলেই কাজে যোগ দেব। কৃত্রিম হাতও লাগাব। তবে সেটা মাস তিনেক পর।‘‘ রেণুর ইচ্ছে যাঁরা তাঁর মতো যাঁরা নির্যাতিতা তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন তিনি। বাড়ি ফিরে বাঁ হাতে লেখার পাশাপাশি, অন্য কাজও করতে হবে রেণুকে। শুরু হবে অন্য লড়াই। তবে, কোনও অবস্থাতেই আর শ্বশুরবাড়ি ফিরতে চাম না তিনি। যে আর ফিরতে চান না সে কথা আগেই জানিয়েছিলেন রেণু। তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Bandopadhyay)। তাঁকে পূর্ব বর্ধমানের কোনও হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এবার সুস্থ হয়ে সেই কাজেই ফিরতে চান রেণু।



Related articles

সর্বকালীন রেকর্ড ভোট বাংলায়: প্রথম দফায় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন, দাবি কমিশনের

নজিরবিহীন নির্বাচনের সাক্ষী থাকল ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফা। গোটা রাজ্যে ১৫২ আসনে প্রায় প্রতি বুথে সকাল থেকে...

সাঁজোয়া গাড়ি থেকে এজেন্সি! বাংলার ওপর এত রাগ কেন? কেন্দ্র-কমিশনকে তীব্র আক্রমণ মমতার

‘বাংলার সাথে গদ্দারি করব না, জন্মেছি বাংলায়, মরবও বাংলায়’— এই স্লোগানকে সামনে রেখেই বৃহস্পতিবার ফের দিল্লিকে নিশানা করলেন...

অতন্দ্র প্রহরীর মতো রাত জেগে আজ বিজেপির দফারফা করেছি: অভিষেক  

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথমদফার ভোটগ্রহণ হল বৃহস্পতিবার। আর সেদিন সন্ধেয় দলীয় প্রার্থীর হয়ে মেটিয়াবুরুজের কারবার পিঙ্ক স্কোয়ার থেকে...

ভোটের মুখে স্বস্তি সুজিতের, ইডির তলবে আপাতত স্থগিতাদেশ আদালতের 

নিয়োগ সংক্রান্ত একটি পুরনো মামলায় রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসুকে বড়সড় স্বস্তি দিল আদালত। ইডি যে অহেতুক হয়রানি করছে,...