Saturday, May 16, 2026

সুস্থ হয়ে কাজে যোগ দেবেন: বাড়ি ফিরে অন্য লড়াই শুরু রেণুর

Date:

Share post:

অবশেষে ঘরে ফিরলেন রেণু খাতুন (Renu Khatun)। নয় দিনের লড়াই শেষে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামে (Ketugram) বাবার বাড়িতেই ফিরলেন তিনি। সরকারি হাসপাতালের নার্সের চাকরি পাওয়ায় ডান হাতের কবজি কেটে দেয় তাঁর স্বামী শরিফুল শেখ (Shariful Sheikh)। সেখান থেকেই লড়াই শুরু। সোমবার, বেসরকারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে রেণু জানান, আবার নতুন করে লড়াই শুরু হচ্ছে। সুস্থ হলে চাকরিতে যোগ দেবেন বলে জানান তিনি।

হাসপাতাল থেকে এদিন হুইল চেয়ারে রেণুকে হাসপাতাল থেকে বার করেন আত্মীয়রা। এরপর গাড়িতে করে রেণুকে কেতুগ্রামে চিনিসপুরের বাপের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। রেণুর মতে, ‘‘খুব আনন্দ হচ্ছে। সুস্থ হলেই কাজে যোগ দেব। কৃত্রিম হাতও লাগাব। তবে সেটা মাস তিনেক পর।‘‘ রেণুর ইচ্ছে যাঁরা তাঁর মতো যাঁরা নির্যাতিতা তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন তিনি। বাড়ি ফিরে বাঁ হাতে লেখার পাশাপাশি, অন্য কাজও করতে হবে রেণুকে। শুরু হবে অন্য লড়াই। তবে, কোনও অবস্থাতেই আর শ্বশুরবাড়ি ফিরতে চাম না তিনি। যে আর ফিরতে চান না সে কথা আগেই জানিয়েছিলেন রেণু। তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Bandopadhyay)। তাঁকে পূর্ব বর্ধমানের কোনও হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এবার সুস্থ হয়ে সেই কাজেই ফিরতে চান রেণু।



Related articles

রবিবার খোলা থাকছে বিদ্যাসাগর সেতু, নয়া নির্দেশিকা জারি পুলিশের 

রবিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বন্ধ থাকছে না বিদ্যাসাগর সেতু (Vidyasagar Setu), পূর্ববর্তী নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে জানিয়ে দিল...

আজ ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, বিকেলে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু

আজ দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করতে ডায়মন্ড হারবার যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে...

হারিয়ে যাওয়া ‘সপ্তডিঙার’ সন্ধানে গুপ্তধনের হদিশ টিম সোনাদার! বিশেষ প্রাপ্তি সুন্দরী সুন্দরবন

কিশোর মনের রহস্য গল্প বুননে ফের অনবদ্য পরিচালক ধ্রুব বন্দ্যোপাধ্যায়। চেনা স্টাইলে ইতিহাস- পুরাণ মিলেমিশে একাকার হলেও চিত্রনাট্যের...

গীতাপাঠ অব্যাহত, মুশকিল আসান মুখ্যমন্ত্রীর 

গীতাপাঠে হঠাৎ বাধা। মুশকিল আসান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (CM Suvendu Adhikari)। ঘটনা কী? পুষ্টিশ্রী ধর্মীয় সংস্থা দক্ষিণ কলকাতার...