Thursday, April 30, 2026

সুস্থ হয়ে কাজে যোগ দেবেন: বাড়ি ফিরে অন্য লড়াই শুরু রেণুর

Date:

Share post:

অবশেষে ঘরে ফিরলেন রেণু খাতুন (Renu Khatun)। নয় দিনের লড়াই শেষে পূর্ব বর্ধমানের কেতুগ্রামে (Ketugram) বাবার বাড়িতেই ফিরলেন তিনি। সরকারি হাসপাতালের নার্সের চাকরি পাওয়ায় ডান হাতের কবজি কেটে দেয় তাঁর স্বামী শরিফুল শেখ (Shariful Sheikh)। সেখান থেকেই লড়াই শুরু। সোমবার, বেসরকারি হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে রেণু জানান, আবার নতুন করে লড়াই শুরু হচ্ছে। সুস্থ হলে চাকরিতে যোগ দেবেন বলে জানান তিনি।

হাসপাতাল থেকে এদিন হুইল চেয়ারে রেণুকে হাসপাতাল থেকে বার করেন আত্মীয়রা। এরপর গাড়িতে করে রেণুকে কেতুগ্রামে চিনিসপুরের বাপের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে। রেণুর মতে, ‘‘খুব আনন্দ হচ্ছে। সুস্থ হলেই কাজে যোগ দেব। কৃত্রিম হাতও লাগাব। তবে সেটা মাস তিনেক পর।‘‘ রেণুর ইচ্ছে যাঁরা তাঁর মতো যাঁরা নির্যাতিতা তাঁদের পাশে দাঁড়াবেন তিনি। বাড়ি ফিরে বাঁ হাতে লেখার পাশাপাশি, অন্য কাজও করতে হবে রেণুকে। শুরু হবে অন্য লড়াই। তবে, কোনও অবস্থাতেই আর শ্বশুরবাড়ি ফিরতে চাম না তিনি। যে আর ফিরতে চান না সে কথা আগেই জানিয়েছিলেন রেণু। তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Bandopadhyay)। তাঁকে পূর্ব বর্ধমানের কোনও হাসপাতালে চাকরি দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। এবার সুস্থ হয়ে সেই কাজেই ফিরতে চান রেণু।



Related articles

উন্নয়নমুখী রাজনীতিকে সমর্থন! ৯১ শতাংশ পেরিয়ে বাংলায় নজিরবিহীন ভোটদান

২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনে ছাপিয়ে গিয়েছে ২০১১ সালের ঐতিহাসিক ৮৪.৩৩ শতাংশ ভোটদানের রেকর্ডও। রাজনৈতিক বিশ্লেষক থেকে শুরু করে সাধারণ...

‘‘সরল পাটিগণিত, বিজেপি হারছে’’! কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘অতিসক্রিয়তা’ নিয়ে ক্ষোভপ্রকাশ তৃণমূলের 

বাংলার দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণ পর্ব শেষ। বুধবার সন্ধ্যায় তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সাংবাদিক বৈঠক করে শশী পাঁজা এবং কুণাল...

লুঙ্গি পরায় ভোটদানে বাধা কেন্দ্রীয় বাহিনীর! পোশাক দিয়ে ভোটারের বিচারে ক্ষুব্ধ মমতা

বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফায় (Second phase of West Bengal Assembly Election) নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গাইঘাটা...

ইভিএমে টেপ লাগালো দুষ্কৃতী: তাড়াহুড়ো করে পুণর্নির্বাচন নয়, জানালন সিইও মনোজ

পুণর্নির্বাচন একটি বিরাট ব্যাপার। ফলে কোনও বুথ বা কেন্দ্রে পুণর্নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিতে গেলে অনেক তদন্ত করতে হবে, স্পষ্ট...