‘এতদিন কোথায় ছিলেন’? সাগরদ্বীপে বাঁধ পরিদর্শনে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে অগ্নিমিত্রা

গুরুপূর্ণিমার ভরা কোটালে ক্ষতিগ্রস্ত সাগরদ্বীপের বাঁধ পরিদর্শনে এসে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন আসানসোলের বিজেপি বিধা‌য়ক অগ্নিমিত্রা পাল (Agnimitra Paul)। তাঁকে কালো পতাকাও দেখানো হয়। তাঁকে ঘেরাও করে গো ব্যাক স্লোগান দেন স্থানীয়রা।

প্রসঙ্গত, গত গুরুপূর্ণিমার ভরা কোটালে সাগরের সুমতিনগর-‌ধসপাড়া-‌২ পঞ্চায়েতের বঙ্কিমনগরে হুগলী নদীর বাঁধ ভেঙে প্লাবিত হয় বিস্তীর্ণ এলাকা। পরবর্তী সময়ে স্থানীয় ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গত মানুষদের স্কুলে নিয়ে এসে ত্রাণ শিবির চালু করা হয়। শিবিরে রান্না করা খাবার দেওয়া হচ্ছে প্রশাসনের তরফে। কিন্তু বিজেপি ঘোলা দলে মাছ ধরার জন্য বুধবার বেলা বারোটা নাগাদ বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল দলের মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি প্রদ্যুৎ বৈদ্য সহ দলের কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ওই এলাকায় যান। এই খবর চাউর হতেই অগ্নিমিত্রা পলের পথ আটকায় এলাকার দুর্গত মানুষেরা। হাতে কালো পতাকা, প্ল্যাকার্ড নিয়ে গো-‌ব্যাক স্লোগান দিতে থাকে এলাকার বাসিন্দারা। কার্যত বিক্ষোভের মুখে পড়ে আটকে পড়েন বিজেপি বিধায়ক। সাধারণ মানুষদের হাতে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা নিয়ে একাধিক প্ল্যাকার্ডও দেখা যায়। পরে পুলিশের সহায়তায় বাঁধ এলাকায় যান অগ্নিমিত্রা।

তবে স্থানীয় পঞ্চায়েতের উপপ্রধান বিপিন পড়ুয়া অগ্নিমিত্রাকে সরাসরি প্রশ্ন করে জানতে চান, গত তিন বছরে সুন্দরবনজুড়ে একাধিক প্রাকৃতিক বিপর্যয় হয়েছে। তখন বিজেপির কেউ আসেনি কেন। বাঁধ তৈরীর জন্য কেন্দ্রের কাছে বারবার আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েও পাওয়া যায়নি। একশো দিনের কাজের টাকা, বাংলা আবাস যোজনার টাকা আটকে দিয়েছে কেন্দ্র। স্থানীয় বিজেপির নেতা কর্মীরাও কেন দুর্গত মানুষদের জন্য একমুটো ত্রাণ পর্যন্ত নিয়ে আসেনি। অথচ পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য আপনি দলবল নিয়ে চলে এসেছেন। এই প্রশ্নের মুখে পড়ে অগ্নিমিত্রা কার্যত কথা বাড়ান নি। এরপর তিনি এলাকা ছেড়ে বেরিয়ে যান।

আরও পড়ুন- সাবধানে সমাবেশে যোগ দিন, ধর্মতলার সভামঞ্চ পরিদর্শনের পর বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

 

Previous articleসাবধানে সমাবেশে যোগ দিন, ধর্মতলার সভামঞ্চ পরিদর্শনের পর বার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের