বাম-বিজেপি বোঝাপড়া! প্রমাণ দিল ‘ইনসাফ সভা’

তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বারবার বলেন, বিজেপি-সিপিএম হল জগাই-মাধাই। এইদিন সেই অভিযোগই মান্যতা পেল। কারণ, এই সভামঞ্চ থেকে বিজেপি বা কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে নয়, সব আক্রমণই তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

আনিস খান (Anis Khan) থেকে মইদুল ইসলামের (Maidul Islam) মৃত্যুর সঠিক তদন্ত ও অপরাধীদের শাস্তির দাবিতে SFI-DYFI-এর ‘ইনসাফ সভা’ থেকে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলা হল। সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম (MD Selim) থেকে শুরু করে DYFI-এর রাজ্য সাধারণ সম্পাদক মীনাক্ষি মুখোপাধ্যায়-(Minakshi Mukherjee) সবার নিশানাতেই রাজ্যের শাসকদল। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বারবার বলেন, বিজেপি-সিপিএম হল জগাই-মাধাই। এইদিন সেই অভিযোগই মান্যতা পেল। কারণ, এই সভামঞ্চ থেকে বিজেপি বা কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে নয়, সব আক্রমণই তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

‘ইনসাফ সভা’ থেকে বক্তব্য রাখেন মহম্মদ সেলিম, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় (Minakshi Mukherjee) ও SFI-এর রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য। সেলিমের কথায়, “বাংলায় লুঠেরাদের জায়গা নেই।“ এদিন সভার অনুমতি নিয়ে সমস্যা ছিল। ফলে মিছিল আটকায় পুলিশ। সেলিমের কথায়, “রাস্তা বন্ধ করে মিছিল আটকানো যাবে না।“

আনিসের মৃত্যুর বিচার চাওয়ার পাশাপাশি বেকার যুবকযুবতীদের চাকরির দাবিতে সরব হন মীনাক্ষি মুখোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই পুজোর আগে ২০হাজার চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। বরং বিজেপি আমলে দেশে বেকারত্ব বাড়ছে। কিন্তু বামের নিশানায় এই বিষয় নিয়েও গেরুয়া শিবিরের বদলে জোড়াফুল।

সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক বলেন, মারমুখী জনগণের সামনে পুলিশি বাধা কাজ করবে না দেখিয়েছে বর্ধমান। আনিস খানের বাড়ির লোকেদের নামে পুলিশ এফআইআর করছে বলেও অভিযোগ সেলিমের।এদিন সভামঞ্চে ছিলেন আনিস খানের বাবা সালেম খান। মঞ্চ থেকে ছেলের মৃত্যুর ‘ইনসাফ’ চান তিনি।

কলকাতার পাশাপাশি বিভিন্ন জেলা থেকে এদিনের সভায় যোগ দেন বাম যুব সংগঠনের সদস্য, কর্মী, সমর্থকরা। ধর্মতলায় ইনসাফ সভা উপলক্ষে সোমবার রাতেই বিভিন্ন জেলা থেকে এসএফআই এবং ডিওয়াইএফআই কর্মীরা কলকাতায় (Kolkata) আসেন।

Previous article২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতে সুবীরেশ ভট্টাচার্য