মহালয়ার আগেই শুরু বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব, বৃহস্পতিবার থেকেই পুজো উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী

এবার পুজো উদ্বোধনের পালা। অন্যান্য বছর মুখ্যমন্ত্রী সাধারণত মহালয়ার দিন থেকেই পুজো উদ্বোধন শুরু করেন। কিন্তু এ বছর তা ৩ দিন এগিয়ে এলো। আগামিকাল থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে গিয়ে পুজোর উদ্বোধন শুরু করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ইউনেস্কোর কালচারাল হেরিটেজের তালিকায় বাঙালির শারদোৎসব। তাই বাঙালির দুর্গাপুজো এখন আর শুধু বাংলার নয়, রাজ্য-দেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বের বুকে সমাদৃত। ফলে এবার কলকাতা-সহ বাংলার সামগ্রিক দুর্গোৎসব যে আলাদা মাত্রা নিতে চলেছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ইউনেস্কোকে কৃতজ্ঞতা-ধন্যবাদ জানিয়ে চলতি মাসের প্রথমদিনেই কলকাতার রাজপথে পুজো কমিটিগুলিকে নিয়ে বর্ণাঢ্য ও ঐতিহাসিক পদযাত্রা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি থেকে রেড রোড পর্যন্ত বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় সামিল হন কলকাতা, হাওড়া ও সল্টলেকের ১৩৫ টি পুজো কমিটির সদস্যরা। নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে পুজো কমিটির সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী এবছর ক্লাবগুলিতে ৬০ হাজার টাকা অনুদানও ঘোষণা করেছেন রাজ্য সরকারের তরফে। বিদ্যুৎ বিল ছাড় বাড়িয়ে করেছেন ৬০ শতাংশ।

এবার পুজো উদ্বোধনের পালা। অন্যান্য বছর মুখ্যমন্ত্রী সাধারণত মহালয়ার দিন থেকেই পুজো উদ্বোধন শুরু করেন। কিন্তু এ বছর তা ৩ দিন এগিয়ে এলো। আগামিকাল থেকেই মণ্ডপে মণ্ডপে গিয়ে পুজোর উদ্বোধন শুরু করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমেই তিনি সল্টলেক এফডি ব্লক, শ্রীভূমি স্পোটিং ও উত্তর কলকাতার টালা প্রত্যয়ের মণ্ডপে গিয়ে উৎসবের ঢাকে কাঠি দেবেন।

এ বছর শারদোৎসবকে আরও লম্বা করে দেওয়ার পিছনে আরও একটি কারণ রয়েছে। গত দু’বছর করোনা মহামারি এবং তাকে কেন্দ্র করে অনেকটাই জৌলুস হারিয়ে ছিল বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজো। তাই এবার বাঙালি যাতে চেঁটেপুটে উৎসবের আমেজ উপভোগ করতে পারেন, সেই কারণে উৎসবের দিন বেড়ে গিয়েছে। পুজোর উদ্যোক্তাদের কাছে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা ছিল, “কম বাজেটেও ভালো পুজো করা যায়। আবার বড় ক্লাবের বড় মেনু, বড় ভেন্যু হয়। এমনভাবে পুজো করবেন যাতে পদপিষ্টের ঘটনা না ঘটে, গ্রামের শিল্পীরা আপনাদের ওখানে কয়েকদিন থেকে খুশি হয়, বিদেশিরা যেন কোনও সমস্যায় না পড়েন।”

আরও পড়ুন- শিক্ষক নিয়োগ মামলায় সুবীরেশের গ্রেফতারি প্রসঙ্গে বিস্ফোরক সৌগত


 

Previous articleপ্রতি ৪ সেকেন্ডে অনাহারে মৃত্যু হচ্ছে একজনের, প্রকাশ্যে ভয়াবহ পরিসংখ্যান