“মানিক ব্ল্যাঙ্ক ডকুমেন্ট দেওয়ার চাপ দিচ্ছে, যাতাভাবে টাকা নিচ্ছে”! পার্থর মোবাইলে উদ্ধার মেসেজ

মানিক ভট্টাচার্য যাতা ভাবে টাকা নিচ্ছে। কোভিডের সময়ে কলেজ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও ছাত্রদের কাছ থেকে প্রাইভেটে বেড প্রতি ৫০০ টাকা করে নিচ্ছে। নদীয়াতে প্রাইমারি টেট ইন্টারভিউ হয়ে গিয়েছে।

ইডির চার্জশিটে বিস্ফোরক তথ্য। প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) মোবাইল ফরেন্সিক হওয়ার পর যে মেসেজ উদ্ধার হয়েছে, সেখানে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya) সম্পর্কে মেসেজ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। যেখানে জনৈক এক ব্যক্তি মানিককে নিয়ে অভিযোগ জানিয়ে পার্থকে মেসেজে লিখছেন,”যাতাভাবে টাকা নিচ্ছেন। আবার টাকা নিয়ে করবে। আবার কেস হবে।”

ইডি চার্জশিটে উল্লেখ করেছে, যেদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে তাঁর নাকতলার বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়, সেদিনই তল্লাশি চালানোর সময় তাঁর মোবাইল ফোনটি বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা। সেই মোবাইল ফরেন্সিক পরীক্ষার পর একটি মেসেজ পাওয়া যায়, যেখানে কোনও এক ব্যক্তি পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে অভিযোগ করেছেন, “মানিক ভট্টাচার্য যাতা ভাবে টাকা নিচ্ছে। কোভিডের সময়ে কলেজ বন্ধ থাকা সত্ত্বেও ছাত্রদের কাছ থেকে প্রাইভেটে বেড প্রতি ৫০০ টাকা করে নিচ্ছে। নদীয়াতে প্রাইমারি টেট ইন্টারভিউ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু মানিক ভট্টাচার্য চেয়ারম্যানকে মার্কস ছাড়া ব্ল্যাঙ্ক ডকুমেন্ট দেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। আবার টাকা নিয়ে করবে। আবার কেস হবে।” কিন্তু ব্যবস্থা নেওয়া দূরের কথা, বরং, ওই মেসেজটি প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের তৎকালীন সভাপতিকেই ফরোয়ার্ড করেন পার্থ।

অন্যদিকে, পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের মোবাইলে আরও একটি মেসেজ আবার মানিক ভট্টাচার্যর। যেখানে তৎকালীন প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের তৎকালীন সভাপতি লিখেছেন, “১০ মিনিট দিস। ইন্টারভিউ ও টেট নিয়ে আর্জেন্ট আলোচনার জন্য কাল তোর বাড়িতে যাব।” সেই মেসেজে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর জবাব ছিল, ”Ok”।

জনৈক ব্যক্তির অভিযোগ পাওয়ার পর, মানিক ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে কী কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়? সমস্ত বিষয় খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

Previous articleআজ আলিপুর মিউজিয়ামের উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী