মোমিনপুর নিয়ে দিনভর প্ররোচনা-গোলমালের চেষ্টা রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের

অশান্তির আশঙ্কায় মোমিনপুরের যাওয়ার সময় সুকান্ত মজুমদারকে বাধা দেয় পুলিশ। অবস্থানে অনড় থাকায় তাঁকে গ্রেফতার করে প্রিজন ভ্যানে তোলে। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়, এলাকায় নতুন করে যাতে আর উত্তেজনা না ছড়ায় সেই কারণে বিজেপির প্রতিনিধি দলকে বাধা দেওয়া হয়েছে।

মোমিনপুর নিয়ে সোমবার দিনভর প্ররোচনা-গোলমালের চেষ্টা রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের।রবিবার রাতে মোমিনপুরে বোমাবাজিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, সেই ঘটনা নিয়ে রাজনীতি করতে পথে নামে বিজেপি।সোমবার, সেখানে যেতে চান বিজেপি (BJP) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder)। কিন্তু পরস্থিতি বুঝে তাঁকে চিংড়িঘাটায় বাধা দেয় পুলিশ। ছিলেন DC ইস্ট ডিভিশন গৌরব লাল (Gourav Lal)। চিংড়িঘাটায় গার্ড রেল দিয়ে আটকে দেওয়া হয়। কেন আটকানো হচ্ছে তা নিয়ে পুলিশ আধিকারিকের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন সুকান্ত। এরপরই তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এর আগে মোমিনপুরের ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও রাজ্যপাল লা গণেশনকে চিঠি দেন বিরোধীদল নেতা শুভেন্দু অধিকারী (Shubhendu Adhikari)। অমিত শা (Amit Shah)-র কাছে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে চিঠি দেন তিনি। একবালপুর থানায় তাণ্ডবের অভিযোগ করা হয় চিঠিতে।

অশান্তির আশঙ্কায় মোমিনপুরের যাওয়ার সময় সুকান্ত মজুমদারকে বাধা দেয় পুলিশ। অবস্থানে অনড় থাকায় তাঁকে গ্রেফতার করে প্রিজন ভ্যানে তোলে। পুলিশের তরফ থেকে জানানো হয়, এলাকায় নতুন করে যাতে আর উত্তেজনা না ছড়ায় সেই কারণে বিজেপির প্রতিনিধি দলকে বাধা দেওয়া হয়েছে।

এই বিষয় নিয়ে তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, সুকান্ত তো বালুরঘাটের সাংসদ, এখানে কেন রাজনীতি করতে চাইছেন! পুলিশ প্রশাসন বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিচ্ছে। অশান্তি ছড়াতেই ঘোলাজলে রাজনীতি করতে চাইছে গেরুয়া শিবির- অভিযোগ তৃণমূলের।তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, শান্ত শহরকে ইচ্ছাকৃতভাবে অশান্ত করছে বিজেপি। শকুনের রাজনীতি করছে।মোমিনপুরে একটা ঘটনা ঘটেছে। নিজেরাই মিটিয়ে নিয়েছে। বিজেপি বিষয়টা নিয়ে ধর্মীয় রূপ দিয়ে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি করছে, প্ররোচনা দিচ্ছে।

মোমিনপুর (Mominpur) যাওয়ার পথে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে বাধা ও গ্রেফতারির ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে শহর থেকে জেলা। এমজি রোড, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি নেতা-কর্মীরা।মিছিলের পর এমজি রোড, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে রাস্তায় বসে পড়েন তাঁরা।  কিছু সময়ের জন্য স্তব্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। এদিকে লালবাজারে গিয়ে পৌঁছন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখান থেকে বেরিয়ে যান সিইএসসি-র দফতরে। জানা গিয়েছে, রবিবার রাতে ৩ ঘণ্টা মোমিনপুর এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ করে রাখা হয়েছিল, কিন্তু কেন, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।

 

Previous articleস্বামীর প্রাক্তন প্রেমিকাকে দাম্পত্যে ঠাঁই! বরের বিয়ে দিলেন বউ নিজেই