ছোটদের সুপ্ত প্রতিভার বিকাশ করাই বড়দের দায়িত্ব, শিশু দিবসে বার্তা একেএম ফারহাদের

তৃণমূল মাদ্রাসা টিচার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সভাপতি তথা উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের বন ও ভূমি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তথা শিক্ষা প্রেমী এ কে এম ফারহাদ কয়েক হাজার শিশুর হাতে শিক্ষা সহায়ক উপকরণ তুলে দেওয়ার পাশাপাশি ফুল মিষ্টি দিয়ে কচিকাঁচাদের সঙ্গে একান্তে সময় কাটালেন।

ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম পুরোধা তথা স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পন্ডিত জহরলাল নেহেরুর জন্মদিনে সমগ্ৰ দেশজুড়ে পালিত হয় শিশু দিবস। শিক্ষা প্রেমী, শিশু সুলভ মানসিকতা সম্পন্ন ব্যক্তি, যার উজ্জ্বল মানসিকতায় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় ব্রিটিশ ছাপ দূরীকরণ এবং দেশের শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষা সহ বিভিন্ন স্তরে পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছিল চাচাজি নেহেরুর হাত ধরে। তিনি চেয়েছিলেন দেশের কোন শিশু যেন শিক্ষা থেকে বঞ্চিত না হয়। তারাই আমাদের দেশের মুখ উজ্জ্বল করবে এবং একটি সুন্দর সমাজ গঠন করবে। তারা আমাদের সমাজের গর্ব। তিনি শিশুদের খুবই ভালবাসতেন এবং ১৮৮৯ সালের ১৪ই নভেম্বর পন্ডিত জহরলাল নেহেরুর জন্মদিনl তাঁর জন্মদিনকে স্মরণ করেই প্রতি বছর এই দিনটি শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়।

উল্লেখ্য শিশু দিবসকে আরও বেশি স্মরণ করে রাখার উদ্দেশে শিক্ষা প্রেমী অসংখ্য মানুষ এই দিনটিতে শিশুদের হাতে বিভিন্ন দ্রব্যাদি তুলে দেওয়ার পাশাপাশি সময়ও কাটান। বলা বাহুল্য, পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল মাদ্রাসা টিচার অ্যাসোসিয়েশনের রাজ্য সভাপতি তথা উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলা পরিষদের বন ও ভূমি স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ তথা শিক্ষা প্রেমী এ কে এম ফারহাদ কয়েক হাজার শিশুর হাতে শিক্ষা সহায়ক উপকরণ তুলে দেওয়ার পাশাপাশি ফুল মিষ্টি দিয়ে কচিকাঁচাদের সঙ্গে একান্তে সময় কাটালেন। পাশাপাশি এদিন হাড়োয়া, দেগঙ্গা ও বারাসাত এলাকার পথচারী শিশুদের হাতেও ফুল মিষ্টি দিয়ে তাদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপণ করেন ফারহাদ। সমাজকর্মী একেএম ফারহাদ জানান, শিশুরাই আগামীদিনের ভবিষ্যৎ। গোলাপের পাপড়ির মতো উজ্জ্বল বিকশিত হোক সমগ্র শিশুদের ভবিষ্যৎ। তাদের শুভ কামনায় আমাদের ক্ষুদ্র প্রয়াস বিগত দিনে যেমন ছিল আগামী দিনেও তা থাকবে।

তিনি আরও জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্যোগে শিশুদের স্কুলমুখী করতে যে ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা দেশ তথা বিশ্বের মধ্যে বিরল। স্কুলছুট কমানো, মিড ডে মিল, স্কলারশিপ, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী প্রকল্পের জন্য বর্তমানে শিশুরা আরও বেশি স্কুলমুখী হচ্ছে। জনৈক সুভাষ ঘোষ বলেন শিশুদের মাঝে থেকে বিগত দিনে একেএম ফারহাদ স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করেছে এবং তাদের হাতে যেভাবে উপহার সামগ্রী তুলে দিয়েছে তা অত্যন্ত আনন্দের।

Previous articleভারতীয় দলের উন্নতি নিয়ে কী বললেন কুম্বলে?