অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা এড়াতে হাসপাতালগুলোকে বিশেষ নির্দেশিকা স্বাস্থ্য দফতরের

রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালকে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রান্নাঘর ও ক্যান্টিন ছাড়া হাসপাতালের অন্য কোথাও যেন রান্না না করা হয়, সে ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যভবন (Swasthya Bhawan) সূত্রে খবর।

শহরের বুকে বারবার অগ্নিকাণ্ডের (Fire incident) ঘটনা ঘটেছে। সম্প্রতি শহরের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল (Super Speciality hospital) এসএসকেএমে (SSKM) ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সোমবারই পরিস্থিতি পর্যালোচনার বৈঠকে স্বাস্থ্য দফতরের (West Bengal Health department) সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এরপর রাজ্যের সব সরকারি হাসপাতালকে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রান্নাঘর ও ক্যান্টিন ছাড়া হাসপাতালের অন্য কোথাও যেন রান্না না করা হয়, সে ব্যাপারে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে স্বাস্থ্যভবন (Swasthya Bhawan) সূত্রে খবর।

গত বৃহস্পতিবার রাতে আচমকাই এস‌এসকেএমে (SSKM) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সিটি স্ক্যান ডিপার্টমেন্ট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে প্রাথমিকভাবে তদন্তে উঠে আসে। ঘটনাস্থল থেকে থেকে হিটারের যন্ত্রাংশ উদ্ধার হয়েছে। এরপর সোমবারই স্বাস্থ্য দফতরের পর্যালোচনা বৈঠকে সেই অগ্নিকাণ্ড নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। পিজি হাসপাতালের অগ্নিকাণ্ডের প্রসঙ্গে মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) মুখ্যমন্ত্রীকে জানান, এসি থেকে আগুন লেগেছিল। আর এই শুনেই কিছুটা বিস্ময় প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাল্টা প্রশ্ন করেন, “শীতকালে এসি কেন?” ফিরহাদ হাকিম জানান, ওই ঘরে প্রয়োজন না থাকলেও চারটি শীতাতপ যন্ত্র‌ই চলছিল। প্রয়োজন না থাকলে এসি বন্ধ রাখার কথা বলেন মেয়র। সেই সূত্রে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আইসিইউ-সিসিইউতে এসি সর্বদা প্রয়োজন। কিন্তু শীতে হাসপাতালের অন্যত্র এসি-র কী প্রয়োজন তা জানতে চান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই রাজ্যের সব হাসপাতালকে স্বাস্থ্য ভবনের তরফ থেকে বিশেষ নির্দেশিকা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্দেশিকায় বলা হয়েছে,

• রান্নাঘর বা ক্যান্টিন ছাড়া কোথাও চা-ও বানানো যাবে না।
• কোনওভাবে বাইরে আগুন জ্বালানো যাবে না।
• ইলেকট্রিসিটিতে চলে এমন কোনও হিটার ব্যবহার করে খাবার বানানো যাবে না।

এখানেই শেষ নয় এমএসভিপি, সিএমওএইচ, হাসপাতাল সুপারের মতো কর্তাদের কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে তাঁরা হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে নির্দেশিকা অক্ষরে অক্ষরে পালন করা হচ্ছে কিনা তা খতিয়ে দেখেন।

 

Previous articleJIFF 2022 : জয়পুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধন কলকাতায়