Saturday, June 6, 2026

Gujrat : উন্নয়নের ছিটেফোঁটা নেই মোদি – শাহ রাজ্যে

Date:

Share post:

প্রথম দফার নির্বাচন (Gujrat Assembly Election) হয়ে গেছে,পরের নির্বাচনের দিন আগামী ৫ ডিসেম্বর ২০২২। গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের (Gujrat Election) আগে প্রতিশ্রুতির বুলিতে দফায় দফায় নিজের রাজ্যে গেছেন প্রধানমন্ত্রী – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরা। অথচ বাস্তব ছবি বলছে অনুন্নয়ন (No Development) স্পষ্ট ফুটে উঠেছে মোদি রাজ্যে। ভোট আসে ভোট যায় । তাঁদের অভাব অভিযোগ শোনেনা কেউ – ঠিক এভাবেই অভিযোগ করছেন রাজ্যবাসী (Gujrat People)।

পিছু ছাড়ছে না বিতর্ক! ২০০ কোটির আর্থিক তছরুপ মামলায় ফের ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখে নোরা

সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় ১৭ লক্ষেরও বেশি পরিযায়ী শ্রমিক (Migrant Workers) রয়েছে এখানে। যার মধ্যে ২.৫ লক্ষ উড়িষ্যা থেকে , ৩ লক্ষ উত্তরপ্রদেশ থেকে, ২ লক্ষ বিহার থেকে এবং ১ লক্ষ তেলেঙ্গানার (Telengana) মানুষ রয়েছেন। এই সমস্ত শ্রমিকরা টেক্সটাইল শিল্পের (Textile Industry)মেরুদণ্ড হিসাবে কাজ করে। কারণ সকলেই জানেন যে গুজরাটের সুরাট বস্ত্র শিল্পের জন্য বিখ্যাত। এখানে কেউ কেউ এখানে ২৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে বসবাস করছেন। অথচ তাঁদের কোনও ভোটাধিকার নেই। বছরের পর বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের রাজ্যে হাজার হাজার শ্রমিক সব রকমের সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত। প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি সাধের গুজরাটের অমানবিক দিকটি তুলে ধরলেন সুরাটেরই বাসিন্দা সঞ্জয় প্যাটেল, যিনি সাত বছর ধরে টেক্সটাইল শ্রমিকদের সমস্যা নিয়ে কাজ করেছেন। তিনি বলেন, রাজনীতিবিদরা সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচনের পরে খুব বেশি কিছু হয় না। এখানে শ্রমিকরা ১২৬-ডেসিবেল শব্দের মধ্যে গরম ঘরে একটানা ১২ ঘন্টা কাজ করে। কোনও সামাজিক বা কাজের নিরাপত্তা নেই। দশ বছরের চাকরির পরেও দুদিন অনুপস্থিত থাকলে চাকরি চলে যাবার আশঙ্কা থেকে যায়। ফলে নিরাপত্তাহীনতার চিন্তা করতে থাকেন তাঁরা। সুরাটের গঞ্জাম এলাকায় উড়িষ্যার মানুষের প্রাধান্য এতটাই বেশি যে গুজরাটের এই জায়গাটি ‘দ্বিতীয় উড়িষ্যা’ হিসাবেই পরিচিত। এমনকি উড়িষ্যার সব উৎসব এখানে পালিত হয়। অথচ শ্রমিকরা এতটুকু সুবিধা পান না, উপরন্তু প্রাপ্য থেকেও বঞ্চিত তাঁরা।

বিভিন্ন নির্বাচনী প্রচারে নিজের বক্তব্যে দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখে উঠে এসেছে গুজরাট মডেলের কথা। কিন্তু গুজরাট মডেলের আলোর নিচে যে অন্ধকার দিক, তা সুকৌশলে আড়াল করার চেষ্টা করে গেছে বিজেপি সরকার। গুজরাটের পরিযায়ী শ্রমিকদের প্রতি দিনের পর দিন যে অন্যায় হচ্ছে , যেভাবে তাঁদের অবহেলা নিয়ে সরব হয়েছে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসও।

 

Related articles

অন্নপূর্ণা যোজনায় তোলাবাজির অভিযোগ! বিজেপি কর্মীর নিশানায় দলেরই বিধায়ক

ক্ষমতায় আসার একমাসের মধ্যেই বীরভূমে তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে জেরবার গেরুয়া শিবির। এবার খোদ রাজ্য সরকারের স্বপ্নের প্রকল্প ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’য়...

ভাঙার পথে কলকাতা পুরসভা? মেয়রের ইস্তফার পরেই শোকজ নবান্নর

কলকাতা পুরসভা ভেঙে দেওয়ার পথে এগোচ্ছে রাজ্য সরকার। মেয়রের পদত্যাগের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পুরসভাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠাল...

চোখ বন্ধ করে থাকতে পারব না: মমতার পাশে থেকেই বার্তা কুণালের

তৃণমূলের টিকিটে ও প্রতীকে জেতার পরে যে বিধায়করা বিশ্বাসঘাতকতার জায়গায় গিয়েছেন, তাঁদের বারবার ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল মুখপাত্র...

জোর করে বাংলাদেশে লোক ঢোকানোর চেষ্টা!ভারতের পরিকল্পনা আটকালো প্রতিবেশী রাষ্ট্র

বাংলা-ত্রিপুরা-অসম থেকে প্রতিদিন জোর করে লোক ঢোকানোর চেষ্টা হচ্ছে বাংলাদেশে? এবার নয়াদিল্লির পরিকল্পনা আটকে দিল বিজিবি! গত ৪...