Friday, March 13, 2026

কলকাতার পথেই বিধাননগর পুরসভা! হুক্কা বার বন্ধের আরজি জানিয়ে সিপিকে চিঠি

Date:

Share post:

রাজ্যে বন্ধ হচ্ছে একের পর এক হুক্কা বার। কলকাতার পর এবার বিধাননগরেও হুক্কা বার বন্ধের আরজি জানিয়ে সিপিকে চিঠি পাঠালেন চেয়ারম্যান। এমনকি দ্রুত পদক্ষেপের আরজি জানিয়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন:কলকাতায় বন্ধ হচ্ছে হুক্কা বার, দেওয়া হবে না নয়া লাইসেন্স: কড়া মনোভাব মেয়রের

কলকাতার একাধিক হুক্কা বারে হুক্কার সঙ্গে মাদক মিশিয়ে বিক্রির অভিযোগ উঠেছিল। তারপরই যুব সমাজের স্বার্থে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম হুক্কা বারের অনুমতি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেন। গত শনিবার টক টু মেয়রকর্মসূচির শেষে মেয়র জানান, নতুন কাউকে হুক্কা বার খোলার অনুমতি দেওয়া হবে না। পাশাপাশি চালু হুক্কা বারগুলিকেও হুক্কা বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেন মেয়র। এরপরই বন্ধ হতে শুরু করেছে একের পর এক হুক্কা বার।

তবে শুধু কলকাতা পুরসভা এলাকাতেই নয়, বিধাননগর পুরনিগম এলাকায় হুক্কা বার বন্ধ করতে উদ্যোগী হন চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত। সোমবার বিধানগরের পুলিশ কমিশনারকে চিঠি পাঠান সব্যসাচী দত্ত। চিঠিতে তিনি লেখেন, “কলকাতার মতোই বিধাননগর পুরনিগম এলাকার সমস্ত হুক্কা বার অবিলম্বে বন্ধ করে দেওয়া উচিত। আমরা আর নতুন করে কোনও বারকে লাইনসেন্স দেব না। এবং পুরনো যাদের বর্তমানে লাইসেন্স রয়েছে তা মেয়াদ ফুরানোর পর রিনিউ করাও হবে না।”

কিন্তু কেন এই সিদ্ধান্ত? যুব সমাজের উপর খারাপ প্রভাব ফেলছে হুক্কা বার। অনেক ক্ষেত্রেই হুক্কার সঙ্গে মাদকজাত দ্রব্যো মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এর জেরে যুব সমাজ মাদকাসক্ত হয়ে পড়ছেন। এই বিষয়টিকে সমাজ থেকে দূর করতেই কমিশনারকে অবিলম্বে হুক্কা বার বন্ধের পদক্ষেপ নেওয়ার আরজি জানিয়েছেন সব্যসাচী দত্ত।

spot_img

Related articles

সাত অভিযোগ জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে: ২০০ স্বাক্ষরে ইমপিচমেন্ট পাশ সময়ের অপেক্ষা!

সংসদে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট পাশ হওয়া কী সময়ের অপেক্ষা? শুক্রবার তৃণমূলের নেতৃত্বে বিরোধী সাংসদরা...

ভারতীয় ফুটবলে শোকের ছায়া, প্রয়াত এআইএফএফের প্রাক্তন সচিব

প্রয়াত অল ইন্ডিয়া ফুটবল ফেডারেশনের (AIFF) প্রাক্তন সচিব কুশল দাস। শুক্রবার দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ...

মহুয়ার বিরুদ্ধে মামলায় ধাক্কা CBI-এর: চার্জশিটে সুপ্রিম স্থগিতাদেশ, বিজেপি সাংসদের কাছে জবাবদিহি

সংসদে বিজেপি বিরোধী স্বর চেপে দেওয়ার সব রকম প্রচেষ্টা করে মোদি সরকার (Modi Govt.)। কখনও বিরোধী সাংসদদের অভিবেশন...

রাজ্যে এসেই বেলুড় গেলেন জ্ঞানেশ, তবুও ৯১ সন্ন্যাসী ‘বিচারাধীন’!

বাংলায় নির্বাচন নিয়ে প্রাথমিক প্রস্তুতি সারতে এসে জোর গলায় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (CEC, Gyanesh Kumar) দাবি...