Wednesday, February 18, 2026

পাওয়ার লোভী, ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থে আদানির জয়গান: ছবি ফাঁস কংগ্রেসের

Date:

Share post:

একদিকে যখন আদানি ইস্যুতে সংসদের ভিতরে ও বাইরে সরব কংগ্রেস(Congress) সহ বিরোধীরা। ঠিক সেই সময় বিজেপির সুরে আদানির পাশে দাঁড়াতে দেখা গিয়েছে মহারাষ্ট্রে(Maharastra) কংগ্রেসের জোটসঙ্গী এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারকে(Sharad Pawar)। এহেন পরিস্থিতির মাঝেই এবার এনসিপি(NCP) প্রধানকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ শানালো কংগ্রেস। পাওয়ারকে ব্যক্তিস্বার্থ ‘চরিতার্থকারী লোভী’ বলে কটাক্ষ করে আদানির সঙ্গে শরদের সুসম্পর্কের এক ছবি প্রকাশ্যে আনা হল।

রবিবার আদানি ইস্যুতে শরদ পাওয়ারকে তীব্র আক্রমণ শানান কংগ্রেস নেত্রী অল্কা লম্বা। আদানির সঙ্গে শরদ পাওয়ারের পুরানো এক ছবি টুইটারে পোস্ট করে তিনি লেখেন, “ভীতু-লোভীরা আজ ব্যক্তিগত স্বার্থে স্বৈরাচারী ক্ষমতাবানদের জয়গান গাইছে। দেশের মানুষের লড়াই একা রাহুল গান্ধী লড়ছেন। যেমন তিনি পুঁজিবাদী চোরদের সঙ্গে লড়াই করছেন, তেমনই চোরদের রক্ষাকারী প্রহরীর সাথেও লড়ছেন।” বলার অপেক্ষা রাখে মহারাষ্ট্রে কংগ্রেসের ৩৫ বছরের জোটসঙ্গীকে এভাবে আক্রমণে রীতিমতো তপ্ত হয়ে উঠল মারাঠাভূমি। এদিকে এই দ্বন্দ্বের ফায়দা নিতে মাঠে নামতে দেখা গেল বিজেপিকে।

 

শরদ পাওয়ারের পক্ষ নিয়ে এদিন টুইট করেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়ণবীস। তিনি লেখেন, “রাজনীতি আসবে এবং যাবে তবে একজন কংগ্রেস নেতার এই টুইটটি ভয়ঙ্কর। দীর্ঘ ৩৫ বছরের জোটসঙ্গী এবং ভারতের অন্যতম প্রবীণ রাজনৈতিক নেতা তথা মহারাষ্ট্রের চার বারের মুখ্যমন্ত্রীকে এহেন মন্তব্য ভয়ঙ্কর। রাহুল গান্ধী ভারতের রাজনৈতিক সংস্কৃতিকে বিকৃত করছেন।” যদিও অল্কা পরে জানান, শরদ পাওয়ারকে নিয়ে তার মন্তব্য ব্যক্তিগত। এটা কংগ্রেসের মত নয়।

উল্লেখ্য, আদানি ইস্যুতে শনিবার শরদ পাওয়ার মন্তব্য করেন, “আমি মনে করি হিন্ডেলবার্গ রিপোর্টে আদানিদের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ওদের টার্গেট করা হয়েছে। আমার মনে হয় না জেপিসির কোনও প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, বিশেষ করে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপের পরে তো নয়ই। কংগ্রেস কী কারণে জেপিসি চাইছে, আমার কাছে তা স্পষ্ট নয়। শুধু এটুকু জানি, জেপিসি হলে কোনও দিনই সত্যিটা জানা যাবে না, শুধু মাসের পর মাস সময় চলে যাবে। হয়তো কংগ্রেস বিষয়টাকে জিইয়ে রাখতে চায়। আর আমি মনে করি আদানি প্রসঙ্গকে প্রয়োজনের বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। হিন্ডেলবার্গের নাম ক’জন জানত? তাদের রিপোর্টে হইচই পড়ে গেল, অথচ তা যে আমাদের জাতীয় অর্থনীতিতে আঘাত করল, আমাদের দেশের ক্ষতি হল, সেই বিষয়ে কেউ ভাবছে না।”

spot_img

Related articles

ডব্লিউবিসিএস-দের এসডিও পদে নিয়োগে নয়া নিয়ম: বড় ঘোষণা নবান্নের

মন্ত্রিসভার বৈঠকের রেশ কাটতে না কাটতেই বড়সড় প্রশাসনিক রদবদলে সিলমোহর দিল নবান্ন। পশ্চিমবঙ্গ সিভিল সার্ভিস (এগজিকিউটিভ) আধিকারিকদের পদোন্নতি...

অভিষেকের অভিযোগে ঘুম ভাঙল কমিশনের! ব্যাখ্যা তলব মুরুগনের

সুপ্রিম-নির্দেশ অমান্য করে এসআইআর-এর কাজে হোয়াটসঅ্যাপে নির্দেশ দিচ্ছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বুধবার দুপুরে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে...

স্কুলে বাংলা আবশ্যিক করার দাবি, বিকাশ ভবনে ডেপুটেশন বাংলা পক্ষের

রাজ্যের সমস্ত বোর্ডের স্কুলে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা ভাষা শিক্ষাকে আবশ্যিক করার দাবিতে সরব হল বাংলা পক্ষ। মঙ্গলবার...

লেদার কমপ্লেক্সে নজরদারি জোরদার, বসছে ৭৬টি আধুনিক ক্যামেরা

বানতলার কলকাতা লেদার কমপ্লেক্স ও সংলগ্ন শিল্পাঞ্চলের নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করতে বড়সড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। শিল্পাঞ্চলের প্রতিটি কোণে...