Saturday, June 6, 2026

মঙ্গলেই শুরু অভিষেকের ‘জনসংযোগ যাত্রা’

Date:

Share post:

মঙ্গলেই কোচবিহারের দিনহাটা থেকে শুরু হচ্ছে তৃণমূলের ‘জনসংযোগ যাত্রা’। পঞ্চায়েত ভোটের আগে গ্রামে থেকে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে লড়াইয়ে ময়দানে নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে জনসংযোগ কর্মসূচি শুরু করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরুর আগের দিনই কোচবিহারে পৌঁছে যান তিনি। কোচবিহারে এবিএন কলেজ মাঠ থেকে হেঁটেই মদন মোহন মন্দিরে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রাস্তা দু’ধারে জনতা তাঁকে বিপুল উৎসাহে স্বাগত জানায়। পুজো দিয়ে অভিষেক জানান, “কোচবিহার থেকে কাকদ্বীপ একটাই বঙ্গ, সেটা পশ্চিমবঙ্গ”।

আরও পড়ুন:এক পোর্টালেই রাজ্যের সব কলেজে ভর্তি! নয়া নিয়ম চালু শিক্ষা দফতরের

আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় বামনহাটের ক্যাম্পে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে যান বিএসএফের গুলিতে মৃত প্রেমকুমারের পরিবারের লোকজন। সকাল ১১টায় আজ সাহেবগঞ্জের মাঠে প্রথম জনসভা। তারপর দিনভর কর্মসূচি চলবে। গ্রামে গ্রামে ঘুরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলবেন অভিষেক।গতকালের মতো আজও মিশে যাবেন সকলের সঙ্গে।

প্রসঙ্গত, সোমবার বিকেল ৪টে নাগাদ হেলিকপ্টারে কোচবিহারে পৌঁছন অভিষেক। হেলিকপ্টার থেকে নেমে তিনি হেঁটে মদনমোহন মন্দিরে যান। অভিষেককে দেখে উচ্ছ্বসিত সাধারণ মানুষ। তাঁদের সকলকে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন অভিষেক।মদনমোহন মন্দিরে পুজো দিয়ে বেরিয়ে, অভিষেক আবারও সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে যান। কোচবিহার শহর থেকে বামনহাটের এই প্রত্যন্ত ক্যাম্প প্রায় ৬০ কিলোমিটার। বাংলাদেশ সীমান্তের প্রত্যম্ত এলাকার অস্থায়ী তাঁবুতেই সোমবার রাত কাটিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বামনহাট- সাহেবগঞ্জ-সহ আশপাশের গ্রামের মানুষজন খুবই খুশি যে এই প্রত্যন্ত গ্রামে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো একজন নেতা এসে রাত কাটাচ্ছেন তাঁবুতে। এর আগে কেউ কোনওদিন এভাবে থাকেননি। তাঁরা সীমান্ত-সমস্যা নিয়ে অভিষেকের সঙ্গে কথা বলতে চান। বিএসএফের নিত্য অত্যাচার নিয়েও তাঁদের বিস্তর অভিযোগ। তাঁরা সেকথা বলতে চান অভিষেককে। তাঁদের গোপন ইচ্ছে, পারলে তাঁদের বাড়ির খাবার তাঁরা অভিষেককে দিয়ে আসেন তাঁবুতে। গোটা রাস্তা জুড়ে যে পরিমাণ মানুষের ঢল আজ দেখা গেল তা স্বতঃস্ফূর্ততা ছাড়া হয় না।

প্রসঙ্গত, সামনেই পঞ্চায়েত ভোট। প্রার্থী বাছাইয়ে দায়িত্ব অনেকটাই আমজনতার কাঁধে তুলে দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। জেলায় জেলায় টানা ৬০ দিন ঘুরে তিনি ‘জনসংযোগ যাত্রা’ ও ‘গ্রামবাংলার মতামত’-এর ভিত্তিতে পঞ্চায়েতের প্রার্থী বেছে নেবেন। যদিও সেসব চূড়ান্ত করবেন তৃণমূল সুপ্রিমো।
সোমবার উদয়ন গুহ, রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, পার্থপ্রতিম রায়, অভিজিৎ দে ভৌমিকেরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাধারণ মানুষের সম্পর্ক দেখে উচ্ছ্বসিত ।চওড়া হাসি জেলার নেতা-নেত্রীদের মুখে।

 

 

Related articles

চোখ বন্ধ করে থাকতে পারব না: মমতার পাশে থেকেই বার্তা কুণালের

তৃণমূলের টিকিটে ও প্রতীকে জেতার পরে যে বিধায়করা বিশ্বাসঘাতকতার জায়গায় গিয়েছেন, তাঁদের বারবার ভুল ধরিয়ে দিয়েছেন তৃণমূল মুখপাত্র...

জোর করে বাংলাদেশে লোক ঢোকানোর চেষ্টা!ভারতের পরিকল্পনা আটকালো প্রতিবেশী রাষ্ট্র

বাংলা-ত্রিপুরা-অসম থেকে প্রতিদিন জোর করে লোক ঢোকানোর চেষ্টা হচ্ছে বাংলাদেশে? এবার নয়াদিল্লির পরিকল্পনা আটকে দিল বিজিবি! গত ৪...

মমতা-পাঠান রাজনৈতিক মধ্যস্থতা সৌরভের! চিঠি দিয়ে দাবি ওড়ালেন ‘দাদা’

বাংলায় রাজনৈতিক পালাবদলের পরে বিজেপির ঘৃণ্য রাজনৈতিক চক্রান্তে নতুন রাজনৈতিক সংকটে গোটা রাজ্য। বিরোধী দল হিসাবে কোনও দলকে...

বাংলায় বিনিয়োগ নিয়ে L&T-র শীর্ষ কর্তার সঙ্গে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

বাংলায় শিল্পায়ন, বৃহৎ বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থান বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে দেশের অন্যতম বৃহৎ পরিকাঠামো ভিত্তিক শিল্পসংস্থা লারসেন অ্যান্ড টুব্রোর...