শনিবার রাজ্যে ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election)। সকাল থেকেই ভোট উৎসবে সামিল রাজ্যবাসী। তবে নির্বাচন পর্ব যত এগিয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির চেষ্টা বিরোধীদের। নির্বাচনে হার নিশ্চিত জেনেই সকাল থেকে গায়ের জোরে একাধিক বুথে গণ্ডগোলের চেষ্টা বিরোধী দলগুলির। আর এদিন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সংঘর্ষে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল মালদহের (Madah) চাঁচল মহকুমা। বেলা গড়াতেই দেখা যায় বিরোধীদের ব্যালট বক্স (Ballot Box) লুঠ করতে। আর বিরোধীদের রামধনু জোটের সেই প্রচেষ্টা বানচাল করে নজির গড়ল তৃণমূলের (TMC) কর্মী সমর্থকরা। আর এমন ঘটনা সামনে আসতেই তৃণমূলের এই প্রচেষ্টাকে ‘সাধুবাদ’ জানিয়েছে রাজনৈতিক মহল। জানা গিয়েছে, এদিন ব্যালট বক্স লুঠ করতে দেননি চাঁচল থানার খরবা পঞ্চায়েতের গোপালপুর ও দুর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং তৃণমূল কর্মীরা।

সূত্রের খবর, শনিবার সংশ্লিষ্ট গ্রামের ১৯৬ নম্বর বুথের ভোটদানপর্ব দুপুরের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। আর তারপরেই ব্যালট লুঠের চেষ্টা করে বিরোধীরা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা এলাকা। এই পরিস্থিতিতে ব্যালট বক্স যাতে লুঠ না হয়, তার জন্য স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরাই সেই বক্স বাইকে চাপিয়ে সটান থানায় নিয়ে চাঁচল থানার পুলিশ আধিকারিকদের কাছে জমা দেন।

স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের বক্তব্য, খরবা গ্রাম পঞ্চায়েতের গোপালপুর-দুর্গাপুর গ্রামের ১৯৬ নম্বর বুথের ভোটদান পর্ব দুপুরের মধ্যেই শেষ হয়ে যায়। তারপরে সেখানে গোলমাল শুরু করে কংগ্রেস এবং সিপিএম জোটের দুষ্কৃতীরা। তাদের সঙ্গে এই গোলমালে বিজেপির স্থানীয় কর্মীরা সাধ দেয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি আয়ত্তে আনতে কর্তব্যরত পুলিশকর্মীরা গোলমাল থামানোর চেষ্টা করেন। তখনই নির্বাচন কেন্দ্র ফাঁকা হয়ে যায়। আর সেই সুযোগেই ব্যালট বক্স লুঠের চেষ্টা চালায় দুষ্কৃতীরা। তখনই তিনটি ব্যালট বাক্স উদ্ধার করে চাঁচল থানায় নিয়ে এনে জমা দেন তৃণমূল কর্মীরা।
