Sunday, February 1, 2026

মৃ*ত্যুর আগে কাকে ভয়েস রেকর্ড পাঠিয়ে ছিলেন নীতিন? বাড়ছে রহ*স্য

Date:

Share post:

ক্রমশ জটিল হচ্ছে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্প নির্দেশক নীতিন দেশাইয়ের (Ninin Desai) মৃত্যু রহস্য। সত্যি কি আত্মহত্যা নাকি এর পেছনে অন্য কোনও কারণ আছে তাই তদন্ত করে দেখছেন পুলিশ। নিজের তৈরি এন ডি স্টুডিও (ND Studio) থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারের পর প্রাথমিকভাবে অনেক প্রশ্ন উঁকি দিয়েছিল। তদন্তকারীদের অনুমান আর্থিক সমস্যায় জর্জরিত হয়েই আত্মহননের পথ বেছে নেন নীতিন। এবার জানা গেল মৃত্যুর আগে নাকি ১১টি ভয়েস রেকর্ড পাঠান শিল্প নির্দেশক। তাঁর সেই ফোন ফরেন্সিকে পাঠানো হয়েছে।

বুধবার বলিউডের জনপ্রিয় আর্ট ডিরেক্টর (Art Director) নীতিন দেশাইয়ের (Nitin Desai) আত্মহত্যার ঘটনায় শোকাহত বলিউড। ব্যবসার পাশাপাশি আরও নানা সম্ভবময় আশঙ্কাও তদন্ত করছে পুলিশ। সেই তদন্ত থেকে পাওয়া যায় নয়া তথ্য। নতুন রিপোর্টে জানা যায় ভোর ৪টের সময় আত্মহত্যার আগে একটি সুইসাইড মেসেজ রেকর্ড করেছিলেন তিনি। সেই মেসেজে চার ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন যাঁদের কারণেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন শিল্প নির্দেশক। ইতিমধ্যেই পুলিশ স্টুডিয়োর কর্মচারী ও নিরাপত্তারক্ষীদের জবানবন্দি রেকর্ড করেছেন। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু বৈদ্যুতিন যন্ত্রপাতি ও ফোন উদ্ধার করা হয়েছে, যা বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। এই ভয়েস রেকর্ড থেকে স্পষ্ট যে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন নীতিন। যদিও ফরেন্সিক রিপোর্ট থেকে এখনই কারও নাম সামনে আনছে না পুলিশ।

 

 

 

 

spot_img

Related articles

বৈঠকের আগেই নির্বাচন কমিশন-CEO দফতরের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা মমতার

দিল্লিতে সোমবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠক বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee)। তার আগে রবিবারই...

বিতর্কে প্রলেপের চেষ্টা! বাজেটে ১০০দিনের কাজ থেকে খাদির ‘প্রকল্পে’ স্থান জাতির জনকের

দেশের সাধারণ মানুষের হাতে আর্থিক নিশ্চয়তা দিতে কংগ্রেস সরকার যে ১০০ দিনের কাজের প্রকল্প চালু করেছিল, তার অন্ত্যেষ্টি...

টনক নড়ল ফেডারেশনের, আইএফএ-র চিঠি পরই নক আউটের সূচি বদল

ডাবল ইঞ্জিন সরকারের রাজ্য সন্তোষ ট্রফি (Santosh Trophy) ঘিরে চরম অসন্তোষ। শনিবারই নক আউটের সূচি নিয়ে তীব্র প্রতিবাদ...

জন্মের পরই একরত্তিকে ফেলে যান মা, ডাচ মেয়র আজও অপেক্ষায় বাস্তবের কর্ণ-কুন্তী সাক্ষাতের

তিনদিনের শিশুকে নাগপুরের (Nagpur) আমবাজারি রোডের মাত্রু সেবা সঙ্ঘে ফেলে রেখে গেছিলেন জন্মদাত্রী। তারপর থেকে সেই ছোট্ট শিশু...