Tuesday, February 3, 2026

অনেক দিনের আমার যে গান: এক সন্ধেয় স্বর্ণযুগের গানের অনুষ্ঠান শহরে

Date:

Share post:

মধ্য ৩০ এর সময় থেকে মধ্য ৭০ এর সময়, বাংলা গানের স্বর্ণযুগ হিসেবে পরিচিত। এই সময়টা যাই সৃষ্টি হয়েছে প্রায় সবই সোনা। একদিকে যেমন গায়ক-সুরকার, তেমনি গীতিকার। সব কিছুতেই যেন ছিল আকাশ ছোঁয়া সাফল্য। ভক্তিগীতি, ফিল্মের গান, রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুলগীতি, অতুলপ্রসাদের গান, দ্বিজেন্দ্রগীতির বাইরেও একটা বিরাট বড় গানের জগতের সূচনা হয়েছিল। ১৯৩৪ সালে গ্রামোফোন কোম্পানি থেকে যে ৭৮ আরপিএম-এর রেকর্ড বের হয়েছিল সেই প্রথম আধুনিক গান।

আজ সময় বদলেছে, কিন্তু স্মৃতি ফিকে হয়নি, সময়ের বহমানতায় স্বর্ণযুগের গান প্রতিদিন নতুন রূপে ধরা দিয়েছে, আমাদের মনকে আবিষ্ট করেছে। গত ৯ সেপ্টেম্বর, ICCR অডিটরিয়ামে স্বর্ণযুগের কিছু কালজয়ী গান সঙ্গে সমকালীন বাংলা কবিতায় এক সেতু বাঁধা হলো, ‘অনেক দিনের আমার যে গান ‘ শীর্ষক অনুষ্ঠানে। গানে সোমদত্তা বন্দ্যোপাধ্যায়, সমিক পাল এবং কবিতায় মৌনীতা চট্টোপাধ্যায়। সোমদত্তার কন্ঠে চলে যেতে যেতে দিন বলে যায়, মায়াবতী মেঘে এলো তন্দ্রা, শমীকের কন্ঠে এত সুর আর এতো গান, শোনো কোনো একদিন, দ্বৈতকন্ঠে গাওয়া ‘কে যেন গো ডেকেছে আমায়, নীড় ছোটো ক্ষতি নেই’ বিশেষভাবে উল্লেখ্য। যন্ত্রসঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে বাঁশিতে সৌম্যজ্যোতি ঘোষ, কী বোর্ডে সঞ্জীব দেব, তবলায় সুভাষ পাল, গীটারে ঋত্বিক মিত্র, আক্টোপ্যাডে লিটু দাস সঙ্গত করেন। সমগ্র অনুষ্ঠান ভাবনা ও পরিকল্পনায় ছিলেন শ্যাম সরকার।

 

 

 

 

 

 

 

spot_img

Related articles

সশরীরে বিধানসভায়! চত্বরে থেকেও অধিবেশন বয়কট করলেন বিরোধী দলনেতা

বিধানসভা চত্বরে সশরীরে উপস্থিত থেকেও অধিবেশন কক্ষে ঢুকলেন না বিরোধী দলনেতা-সহ বিজেপি বিধায়কদের একাংশ। মঙ্গলবার সপ্তদশ বিধানসভার শেষ...

আরও বড় ব্যবধানে জিতব: দিল্লি থেকে বাংলা জয়ের বার্তা তৃণমূল সভানেত্রীর

বিধানসভা ভোটে বাংলার শাসকদলের রণকৌশল কী? মঙ্গলবার, দিল্লিতে সাংবাদিক সম্মেলনে এই প্রশ্নের জবাবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল (TMC)...

কলকাতার ধোঁয়া না কি গ্রামের ধুলো, বেশি ঘাতক কে? কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সন্ধানে রাজ্য

শহরের শিল্পাঞ্চলের ধোঁয়া আর গ্রামের বাতাসের ধুলো— দুইয়ের বিষক্রিয়া কি সমান? নাকি জনস্বাস্থ্যের ওপর এদের প্রভাব ভিন্ন? দূষণের...

দেশবাসীর গোপনীয়তায় আপস করলে ভারত ছাড়ুন! মেটা-কে কড়া বার্তা প্রধান বিচারপতির

ভারতীয় নাগরিকদের ব্যক্তিগত পরিসরে নাক গলালে ব্যবসা বন্ধ করে বিদায় নিতে হবে মেটার (Meta)হোয়াটসঅ্যাপকে (Whatsapp) । হোয়াটসঅ্যাপের বিতর্কিত...