Thursday, March 12, 2026

জাতি ভিত্তিক জনগণনা: রাহুলের মন্তব্যের বিরোধিতায় সরব কংগ্রেস সাংসদ সিংভি

Date:

Share post:

একটি জাতির জনসংখ্যার ভিত্তিতেই তাদের অধিকার নির্ণয়ের দাবি করেছিলেন প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। জাতি ভিত্তিক জনগণনা প্রসঙ্গে রাহুল এহেন বক্তব্যের সম্পূর্ণ ভিন্ন মত পোষণ করলেন কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক মনু সিংভি। তিনি জানালেন, যত জনসংখ্যা তত অধিকার নীতি লাগু করার আগে এর পরিণাম সবিস্তারে বোঝা উচিৎ।

রাহুলের বক্তব্যের সম্পূর্ণ বিরোধিতা করে কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, “সুযোগের সমতা কখনই ফলাফলের সমতার সমান নয়। যারা ‘জিতনি আবাদি উতনা হক’ সমর্থন করে তাদের সবার আগে এর পরিণতি পুরোপুরি বুঝতে হবে।” বিহারে সোমবার প্রকাশিত হয়েছে জাতি ভিত্তিক জনগণনা ফলাফল। এরপরই এই জন গণনাকে সমর্থন জানিয়ে রাহুল গান্ধী সোমবার জানান, “জাতিগতভাবে যে জাতির জনসংখ্যা যত বেশি হবে, তার তত বেশি অধিকার থাকা উচিত।” রাহুলের সেই মন্তব্যের পাল্টা সিংভির এই মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। একইসঙ্গে প্রকাশ্যে রাহুলের মন্তব্যের বিরোধিতায় কংগ্রেসের অন্দরে শুরু হয়েছে গুঞ্জন।

উল্লেখ্য, সোমবার বিহারে প্রকাশিত জাতি ভিত্তিক জনগণনার রিপোর্টে দেখা গেছে, বিহারের ৬৩ শতাংশ বাসিন্দাই অনগ্রসর শ্রেণিভুক্ত অর্থাৎ ওবিসি। এছাড়াও তফসিলি জাতির অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন ১৯ শতাংশ জনতা এবং তফসিলি উপজাতিভুক্ত মাত্র ১.৬৮ শতাংশ। এবং উচ্চবর্ণের সম্প্রদায়ভুক্ত ১৫.৫২ শতাংশ।

জাতিগত জনগননার যে রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে, বিহারের মোট জনসংখ্যা ১৩ কোটি ৭ লক্ষ ২৫ হাজার ৩১০ জন। এর মধ্যে বিহারে ৩৬ শতাংশ অত্যন্ত অনগ্রসর শ্রেণি(EBC), ২৭ শতাংশ অনগ্রসর শ্রেণি(OBC), ১৯ শতাংশের সামান্য বেশি তপশিলি জাতি এবং ১.৬৮ শতাংশ তফসিলি উপজাতি জনসংখ্যা রয়েছে। এছাড়া মুখ্যসচিব বিবেক সিং জানান, বিহারে উচ্চবর্ণের হার ১৫.৫২ শতাংশ। ব্রাহ্মণ ৩.৬৬ শতাংশ, কুর্মি ২.৮৭ শতাংশ, মুসাহার ৩ শতাংশ, যাদব ১৪ শতাংশ, এবং রাজপুত ৩.৪৫ শতাংশ।

spot_img

Related articles

‘লোকভবনে’ রাজ্যপাল আর এন রবি: বৃহস্পতিবার শপথ গ্রহণ

বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাতকে চরমে তুলে দিয়ে নতুন রাজ্যপাল নিয়োগ করেছে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। বিদায়ী রাজ্যপাল সি...

বন্দে ভারত আদৌ সাধারণ মানুষের জন্য: সংসদে প্রশ্ন অভিষেকের

রেল নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর হাফ মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব অত্যন্ত গর্ব করেন। অথচ দেশের সাধারণ মানুষ...

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ইমপিচমেন্ট প্রস্তাব: শেষ পর্যায়ে সই সংগ্রহ, শীঘ্রই পেশ

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের জন্য ইমপিচমেন্ট প্রস্তাবের নোটিশ আনতে শেষ পর্যায়ে সই সংগ্রহ প্রক্রিয়া। এসআইআর (SIR)...

কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে নতুন উদ্যোগ: সংখ্যালঘু চাকরিপ্রার্থীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ

কর্মসংস্থানের জন্য নতুন পদ সৃষ্টিই নয়, চাকরিপ্রার্থীদের প্রশিক্ষণেও নতুন দিশা দেখিয়েছে বাংলার বর্তমান প্রশাসন। যার প্রত্যক্ষ ফল সর্বভারতীয়...