Friday, June 19, 2026

ব.ঞ্চিত বাংলার গরিব মানুষ, প্রতিবাদে রাজ্যপালের ‘দুর্গারত্ন’ প্রত্যা.খ্যান লুমিনাস ক্লাবের

Date:

Share post:

রাজ্যের সঙ্গে সমস্ত বিষয়ে প্রতিযোগিতায় নামা রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস (CV Ananda Bose) এবার পুজোয় ‘দুর্গারত্ন’ পুরস্কার ঘোষণা করেছেন। সেই পুরস্কার প্রাপকদের মধ্যে অন্যতম কল্যাণীর লুমিনাস ক্লাব কর্তৃপক্ষ। তবে, রাজ্যপালের দেওয়া এই সম্মান প্রত্যাখ্যান করেছে তারা। ক্লাবের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের পুরস্কারের যোগ্য বলে বিবেচিত করার জন্য রাজ্যপালকে ধন্যবাদ কিন্তু বাংলার মানুষের প্রচুর টাকা বকেয়া রয়েছে কেন্দ্রের কাছে। একশো দিনের কাজ করে গরিব মানুষ টাকা পায়নি।

পুজো উদ্যোক্তা অরূপ মুখোপাধ্যায়ের দাবি, রাজ্যপাল আনন্দ বোস কেন্দ্রের কাছে দরবার করে রাজ্যের প্রাপ্য বকেয়া ফিরিয়ে আনুন। গরিব মানুষ টাকা পেলেই তাদের পুরস্কার পাওয়া হয়ে গিয়েছে বলে মনে করবে লুমিনাস ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

এই সিদ্ধান্তের জন্য লুমিনাস ক্লাবকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। তিনি বলেন, এই সিদ্ধান্ত একেবারেই ক্লাব কর্তৃপক্ষের। এর সঙ্গে দলের বা সরকারের কোনও সম্পর্ক নেই। তবে, রাজ্যের মানুষের দুর্দশার কথা ভেবে ক্লাব কর্তৃপক্ষ যে এই পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করেছে তার জন্য তাদের অভিনন্দন। রাজ্যপাল যে রাজ্যের আদায়ের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা গ্রহণ করতে পারেন সেটা তাঁকে মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য কল্যাণীর লুমিনাস ক্লাবকে সাধুবাদ জানিয়েছেন ব্রাত্য।

বাংলার বঞ্চনার বিরুদ্ধে সরব হয়ে কেন্দ্রের সঙ্গে রাজ্যের প্রাপ্য বকেয়া নিয়ে কথা বলার জন্য রাজ্যপালের কাছে আবেদন জানান তৃণমূলে (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Bandyopadhyay)। তাঁকে এড়ানোর বহু চেষ্টা করেন আনন্দ বোস (CV Ananda Bose)। কিন্তু নিজের দাবিতে অনড় অভিষেক একটানা দিনের পর দিন বসেছিলেন রাজভবনের মূল ফটকের বাইরে। অবশেষে রাজ্যপাল তাঁর সঙ্গে দেখা করেন এবং তারপরেই রাজ্যের দাবি জানাতে উড়ে যান দিল্লি। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সঙ্গে কথা বলার পর চিঠি লিখে জানান, এ বিষয়ে তিনি কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। কিন্তু তারপরেও কেন্দ্রের তরফ থেকে কোন সদুত্তর মেলেনি। এদিকে উৎসবের মরশুম। এই সময় রাজনীতিকে দূরে সরিয়ে রেখেছে সব পক্ষই। তবে রাজ্যের সঙ্গে সমান্তরাল প্রশাসন চালানোর অভিযোগ যে আনন্দ বোসের বিরুদ্ধে তিনি রাজ্য সরকারের দেওয়া বিশ্ববাংলা শারদ সম্মানের ধাঁচে বাংলার সেরা দুর্গাপুজোকে পুরস্কৃত করার কথা ঘোষণা করেন। আর সেই তালিকাতেই নাম ছিল এই লুমিনাস ক্লাবের। এবার তাদের থিম ছিল চারধাম। উদ্বোধনের পর থেকেই বিপুল জনসমাগম হয়েছে মণ্ডপে। কিন্তু তারা এই পুরস্কার প্রত্যাখ্যান করল।

Related articles

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা কমানো হয়েছে? বাস্তব জানালেন শুভেন্দু

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা কমানোর যে কথা বলা হচ্ছে, তা ঠিক নয়। এ ক্ষেত্রে পছন্দের ব্যক্তিদের রাখার কথা বলা...

মমতার উপহার ফেরাতে কালীঘাটে কাকলিপুত্র বৈদ্যনাথ! তারপর কী হল? 

দিন কয়েক আগেই সোশাল মিডিয়ায় ঘোষণা করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া সমস্ত উপহার ফিরিয়ে দেবেন। সেই কথামতোই উপহারের সামগ্রী...

জল জীবন মিশনে গতি, ‘শুধু পাইপ বসালেই হবে না’! জেলাশাসকদের কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে কেন্দ্রীয় প্রকল্প বাস্তবায়নে আরও গতি আনতে এ বার সরাসরি ময়দানে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বৃহস্পতিবার নবান্নে কেন্দ্রীয়...

দাবি ৬৫-র, কিন্তু বিধানসভায় হাজির ৫৮! ‘ম্যাজিক নম্বর’ নিয়ে সংশয় ঋতব্রত শিবিরের

বিধানসভার বাইরে ৬৫ জন বিধায়কের সমর্থনের দাবি। আদালতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার যুক্তি। স্পিকারের স্বীকৃতি পাওয়ার পর নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ বলেও...