ইরানের নে.শামুক্তি কেন্দ্রে ভ.য়াবহ অ.গ্নিকাণ্ড! লাফিয়ে বাড়ছে মৃ.তের সংখ্যা, কারণ নিয়ে ধোঁয়াশা

স্থানীয় সূত্রে খবর, লাঙ্গারুদ শহরের নেশামুক্তি কেন্দ্রটিতে জায়গা না থাকা সত্ত্বেও ৪০ জনের বেশি মাদকাসক্তকে রাখা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার রাতে সেই নেশামুক্তি কেন্দ্রটিতেই বিধ্বংসী আগুন লাগে।

ইরানের (Iran) এক নেশামুক্তি কেন্দ্রে (Rehabilitation Centre) বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড। উত্তর ইরানের জিলান প্রদেশের (Gilan Provinces) লাঙ্গারুদ শহরের ঘটনা। দুর্ঘটনার জেরে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ৩২ জন। পাশাপাশি গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও ১৬ জন। যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। তবে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ভয়াবহ অগিকাণ্ড তা এখনও জানা যায়নি। অগ্নিকাণ্ডের জেরে ইতিমধ্যেই সেন্টার ম্যানেজার (Manager) সহ বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার (Arrest) করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে খবর, লাঙ্গারুদ শহরের নেশামুক্তি কেন্দ্রটিতে জায়গা না থাকা সত্ত্বেও ৪০ জনের বেশি মাদকাসক্তকে রাখা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার রাতে সেই নেশামুক্তি কেন্দ্রটিতেই বিধ্বংসী আগুন লাগে। এই অগ্নিকাণ্ডে প্রাথমিকভাবে ২৭ জনের মৃত্যু হলেও শুক্রবার সকালে আরও ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এদিকে নেশামুক্তি কেন্দ্রটিতে অগ্নিকাণ্ডের ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। ভিডিয়োটিতে দেখা যাচ্ছে, নেশামুক্তি কেন্দ্র সংলগ্ন আকাশ এদিন কালো ধোঁয়ায় ভরে যায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ, দমকল বাহিনী ও অ্যাম্বুলেন্স।

শহরের ডেপুটি গভর্নর মহম্মদ জালাই জানিয়েছেন, দুর্ঘটনায় ইতিমধ্যে ৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ১৬ জন আহত হয়েছেন যাঁদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে এখনও পর্যন্ত কী কারণে এই অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে তা জানা যায়নি। অন্যদিকে, জিলানের গভর্নর মহম্মদ জিলাই জানান, লাঙ্গারুদ শহরে এক নেশামুক্তি কেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২। এছাড়া ১৬ জন গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। দুর্ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন জিলান প্রদেশের প্রধান বিচারপতি।

Previous articleঅযোধ্যায় ‘রামলালা’কে কোলে করে রাম মন্দিরে নিয়ে যাবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি
Next articleঅধিকারী পরিবারের সমস্ত সম্পত্তি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামনে আসবে, শুভেন্দুকে চ্যা.লেঞ্জ কুণালের