Monday, January 12, 2026

নয়া কী.র্তি! এবার দেশের আইআইএম-এর ম্যানেজমেন্ট বোর্ডগুলির ক্ষ.মতা নিজেদের হাতে নিতে চায় মোদি সরকার

Date:

Share post:

মোদি সরকারের নয়া কীর্তি। এবার দেশের আইআইএম এর ম্যানেজমেন্ট বোর্ডগুলি ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা নিজেদের হাতে নিতে চায় মোদি সরকার। যে কোনও আইআইএমের সর্বোচ্চ সংস্থা বা কমিটি হল বোর্ড অফ গর্ভনরস। রাষ্ট্রপতি হন সেখানকার ভিজিটর। তাঁর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের কাজ করে সরকার। এবার কেন্দ্রের যুক্তি, লাগাতার সরকারি নির্দেশ লঙ্ঘন করা এবং নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে না পারার কারণে বোর্ডগুলি ভেঙে দেওয়া হবে।

এতদিন পর্যন্ত দেশের আইআইএম গুলির অডিট, ডিরেক্টর নিয়োগ অথবা বরখাস্ত করার ক্ষমতা ছিল শুধুমাত্র বোর্ড অফ গর্ভনরসের হাতে। সেখানে কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও মতামত ছিল না কিন্তু সম্প্রতি আইআইএম আইন সংশোধনের মাধ্যমে দেশের নামজাদা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আরও বেশি করে সরকারি কর্তৃত্ব নিতে চাইছে কেন্দ্র। শুধু তাই নয় এতদিন ধরে চলে আসা নিয়মের বদল ঘটিয়ে আইআইএমের বোর্ড ভেঙে দেওয়ার ক্ষমতা নিজেদের হাতে নেয় কেন্দ্রীয় সরকার। গত আগস্টে আইআইএম আইন সংশোধন করা হয়। সেখানে রাষ্ট্রপতির হাতে ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে আইআইএমের ডিরেক্টরকে বরখাস্ত করার। সংশোধিত আইনে বলা হয়েছে, ভিজিটর অর্থাৎ রাষ্ট্রপতির উপদেশ, নির্দেশ বা যে কোনও মতামত মানতে বাধ্য থাকবে আইআইএম বোর্ড।

এমনকি এই প্রথমবার বলা হয়েছে, আইআইএমের ডিরেক্টরকে প্রথম শ্রেণীর স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর হতে হবে। তারসঙ্গে পিএইডি অথবা তার সমতুল ডিগ্রি থাকতে হবে।

আরও পড়ুন- আইনের পক্ষে জোর সওয়াল! নি.জ্জর খু.নে ফের মোদি সরকারকেই কাঠগড়ায় তুললেন ট্রুডো

 

spot_img

Related articles

সুপ্রিম কোর্টে জোড়া পিটিশন ইডি-র: সোমেই শুনানির আবেদন

রাজ্যের তরফে ক্যাভিয়েট দাখিলের পরে শীর্ষ আদালতে দ্রুত তৎপরতা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি-র। সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ ইডি। সেখানে...

আম্বেদকর মূর্তির রেলিংয়ে ধাক্কা লরির! ভোরের কলকাতায় এড়ানো গেল বড় দুর্ঘটনা

বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো গেল সোমবার ভোরে রেড রোডে। নিরাপত্তায় মোড়া রেড রোডে সোমবার ভোরে একটি লরি সোজা এসে...

শীতলতম কল্যাণী: চলতি সপ্তাহে কলকাতায় পারদ ছোঁবে ১২ ডিগ্রি

শুধু শীতের আমেজ নয়, গোটা বাংলা এ বছরের শীতে হাড় কাঁপানো ঠাণ্ডাতেই অভ্যস্ত হয়ে উঠেছে। সেই অভ্যাসে নতুন...

স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীতে কাজের মধ্যেই শ্রদ্ধা: সোশ্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী

তিনিই বলেছিলেন গীতাপাঠের চেয়ে ফুটবল খেলা ভালো। যার অন্তর্নিহিত অর্থ কর্মই অনেক বেশি কাঙ্খিত, ধর্মের আলোচনার থেকে। আর...