Thursday, January 8, 2026

সিবিআইয়ের খাতায় নাম থাকা ইডি অফিসার কেন সন্দেশখালির তদন্তে, প্রশ্ন তৃণমূলের

Date:

Share post:

দুর্নীতির দায়ে সিবিআইয়ের খাতায় নাম থাকা ইডি অফিসার রাজকুমার রাম কী করে সন্দেশখালিতে অভিযানে গেলেন, প্রশ্ন তুলল তৃণমূল।সোমবার তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ সাফ বলেন, সন্দেশখালিতে গত শুক্রবার তৃণমূল নেতার বাড়িতে ইডির অভিযানে ছিলেন রাজকুমার রাম। তিনি দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত। সিবিআইয়ের এফআইআরে নাম রয়েছে তাঁর। কুণাল বলেন, এই রকম অফিসারকে কেন তদন্তে পাঠানো হয়েছে, ইডিকে তার জবাব দিতে হবে।
ইডি-সিবিআই-এনআইএ এর বেসিক যে বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করে দিয়েছে বিজেপি। নিজেদের প্রয়োজনে এজেন্সিকে ব্যবহার করা হচ্ছে। তথ্য তুলে ধরে কুনাল বলেন কে গেলেন তদন্তে? রাজকুমার রাম যিনি নিজেই সিবিআইয়ের তদন্তের আওতায়। কেন্দ্র আগে জবাব দিক সিবিআইয়ের এফআইআরে নাম থাকা একজন অফিসার কীভাবে তদন্তের কাজে যুক্ত থাকতে পারেন? সিবিআইয়ের এফআইআর নেমড শুভেন্দু অধিকারী কে গ্রেফতার করবে না, অথচ সিবিআই এর এফআইআরে নাম থাকা ইডি অফিসারকে তদন্তে নামাবে, এটা কীভাবে হতে পারে?

আসলে ইডি, সিবিআই, এনআইএ বিজেপির শাখা সংগঠন। কুণালের আরও অভিযোগ, রাজ্যপাল বিজেপির দলদাসের ভূমিকায় নেমেছেন। তাঁর প্রশ্ন, রাজ্যপাল কি ইডির কাছে জানতে চেয়েছেন, রাজকুমার রাম কীভাবে তদন্তে গেলেন?এদিন কুণাল প্রশ্ন তোলেন, রাজ্যপাল ইডির কাছে জানতে চেয়েছিলেন যাদের তিনি দেখতে গিয়েছিলেন হাসপাতালে, তাদের মধ্যে সিবিআই এর তদন্তের আওতায় থাকা অফিসার আছেন।

কুণালের স্পষ্ট কথা, সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে একটা বিকৃত প্রচারের মহল তৈরি হচ্ছে।তৃণমূল কংগ্রেস দুর্নীতিকে সমর্থন করে না। যদি ন্যায্য তদন্ত হয় হোক। এদিন তিনি অভিযোগ করেন, বিজেপি নেতারা যেভাবে যে ভাষায় কথা বলছেন এবং ইডি আধিকারিকরা সেইসব মানুষের কাছে গিয়ে হাজির হচ্ছেন, তাতে এলাকার মানুষের কাছে একটা ভুল বার্তা যাচ্ছে।প্ররোচনা মূলক কথাবার্তা সবার আগে বন্ধ হওয়া দরকার।তিনি বলেন, শাহজাহান দোষী না নির্দোষ, তা আমরা জানি না। শুভেন্দু অধিকারীর মতো একটা চোর শুধু সবাইকে চোর বলে চলেছেন। মানুষ বিশ্বাস করে না এই সব। বিজেপি নেতা অমিত মালব্য রোজ শুধু মিথ্যা কথা বলে চলেছেন। তাই চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন।

মন্ত্রী পার্থ ভৌমিক বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারকে এটা বুঝতে পারছে না যে কেন্দ্রীয় এজেন্সির উপর মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়ে গিয়েছে।এটা ভারতের গণতন্ত্রের পক্ষে মারাত্মকভাবে ক্ষতিকর। তিনি প্রশ্ন তোলেন,আইন শৃঙ্খলা দেখে রাজ্য সরকার।সন্দেশখালির ঘটনার জন্য সবচেয়ে বেশি দায়ী ইডি। তারা যে অভিযানে যাবে, রাজ্য প্রশাসনের কেউ জানত না। ইডি তদন্ত যাওয়ার আগে কেন জানালো না? রাজ্যপাল জানলেন, বিজেপি নেতারা জানলেন, অথচ ইডি যে তদন্তে যাচ্ছে রাজ্য সরকার জানলই না কোনও কিছু!

spot_img

Related articles

ফিরে যেতে দেব না, কর্মসংস্থান নিয়ে কথা বলব মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে: পরিযায়ী শ্রমিকদের আশ্বাস অভিষেকের, চালু হেল্প লাইন

“কয়েকটা মাস একটু সহ্য করতে হবে। কাউকে ফেরত যেতে দেব না“ বৃহস্পতিবার, মালদহে পরিযায়ী শ্রমিকদের নিয়ে সভা করে...

প্রসূন মুখোপাধ্যায়কে এসআইআর নোটিশ, ডেকে পাঠানো হল প্রাক্তন নগরপালের ছেলেকেও 

সেলিব্রেটি থেকে নোবেলজয়ী, এসআইআর হিয়ারিং তালিকায় উঠে এসেছে একের পর এক নাম। এবার নোটিশ পাঠানো হল কলকাতার প্রাক্তন...

একনজরে আজ পেট্রোল-ডিজেলের দাম 

৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার), ২০২৬ কলকাতায় লিটার প্রতি পেট্রোলের দাম ১০৫.৪১ টাকা, ডিজেলের দাম লিটার প্রতি ৯২.০২ টাকা দিল্লিতে...

ফের নৃশংস যোগীরাজ্য! উদ্ধার মহিলার আধপোড়া-অর্ধ নগ্ন দেহ

ফের যোগীরাজ্য! এবার উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) হাপুড় থেকে উদ্ধার হল আধপোড়া অবস্থায় এক মহিলার অর্ধনগ্ন দেহ। ঘটনাটি...