Tuesday, April 7, 2026

১১৪ বছর বয়সে থামল লড়াই! প্রয়াত বাংলার প্রবীণতম ভোটার

Date:

Share post:

প্রয়াত বাংলার প্রবীণতম ভোটার (Aged Voter)। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ১১৪ বছর। ১০০-এর গন্ডি আগেই পেরিয়েছিলেন। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনেও (Panchayat Election) নিজে বুথে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছিলেন। কিন্তু বুধবার সন্ধ্যায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন কাঁকসার (Kanksa) হারাধন সাহা Haradhan Saha)। বুধবার সন্ধের পর কাঁকসার জঙ্গলমহলের সরস্বতী গঞ্জের বাড়িতেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha Election) মুখে তাঁর এমন পরিণতিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পরিবারে। ব্রিটিশ শাসিত ভারতে জন্ম হারাধন বাবুর। তবে ভোটার কার্ডে তাঁর বয়স ১০৫ বছর লেখা থাকলেও তাঁর বয়স মে ১১৪ তা স্বীকার করেছেন ওই বৃদ্ধের পরিবার।


পরিবার সূত্রে খবর, ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সময় নাতি নিত্যানন্দ শাহকে সঙ্গে নিয়ে পায়ে হেঁটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে প্রচার করেছিলেন তিনি। তবে সূত্রের খবর, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচন কেন্দ্রে যেতে না পারলেও বাড়িতে বসেই পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছিলেন তিনি। এরপর ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফের লাঠি হাতে ভোট দিতে পৌঁছে যান নির্বাচন কেন্দ্রে। কিন্তু বছর ঘুরতেই দামামা বেজে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচনের। ইতিমধ্যে জোরকদমে শুরু প্রস্তুতি। আর তার মধ্যেই ঘটে গেল দূর্ঘটনা।

হারাধনবাবুর পরিবার সূত্রে খবর, খুবই শক্ত মনের মানুষ ছিলেন তিনি। ১১৪ বছর বয়সেও একেবারে সোজা হাঁটতে পারতেন। শরীরেও কোনও সমস্যা ছিল না। তবে স্থানীয় সূত্রে খবর, জঙ্গলমহলের সরস্বতীগঞ্জ গ্রামে জন্মলগ্ন থেকেই আছেন তিনি। শোনা যায় ব্রিটিশ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনেও নাকি লড়েছিলেন হারাধনবাবু। তবে আচমকা প্রবীণ মানুষের মৃত্যুতে এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া।


পরিবার সূত্রে খবর, ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সময় নাতি নিত্যানন্দ শাহকে সঙ্গে নিয়ে পায়ে হেঁটে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে প্রচার করেছিলেন তিনি। তবে সূত্রের খবর, ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে নির্বাচন কেন্দ্রে যেতে না পারলেও বাড়িতে বসেই পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিয়েছিলেন তিনি। এরপর ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ফের লাঠি হাতে ভোট দিতে পৌঁছে যান নির্বাচন কেন্দ্রে। কিন্তু বছর ঘুরতেই দামামা বেজে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচনের। ইতিমধ্যে জোরকদমে শুরু প্রস্তুতি। আর তার মধ্যেই ঘটে গেল দূর্ঘটনা।

হারাধনবাবুর পরিবার সূত্রে খবর, খুবই শক্ত মনের মানুষ ছিলেন তিনি। ১১৪ বছর বয়সেও একেবারে সোজা হাঁটতে পারতেন। শরীরেও কোনও সমস্যা ছিল না। তবে স্থানীয় সূত্রে খবর, জঙ্গলমহলের সরস্বতীগঞ্জ গ্রামে জন্মলগ্ন থেকেই আছেন তিনি। শোনা যায় ব্রিটিশ ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনেও নাকি লড়েছিলেন হারাধনবাবু। তবে আচমকা প্রবীণ মানুষের মৃত্যুতে এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া।

Related articles

‘ওদের হাতে কমিশন, আমাদের সঙ্গে জনগণ’! রাজ্যকে বিজেপি-শূন্য করার ডাক মমতার 

রাজ্যকে বিজেপি-শূন্য করার ডাক দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নদিয়ার চাকদহে মশড়া নবপল্লি মাঠের জনসভা থেকে দলনেত্রী বললেন, এবারের...

বুথে বসবে না পোলিং এজেন্ট! সত্যতা ব্যাখ্যা কমিশনের

ভোটার তালিকার পরে নির্বাচনের বুথ নিয়ে জলঘোলা নির্বাচন কমিশনের। নির্বাচন ঘোষণার সময়ই রাজ্যে নির্বাচনী বুথ নিয়ে অনেক আয়োজনের...

১২ বছর পর নিজস্ব রাজধানী পেল অন্ধ্রপ্রদেশ, অমরাবতীই এখন সরকারি কেন্দ্র

সরকারিভাবে অন্ধ্রের রাজধানীর তকমা পেল অমরাবতী। বিভাজনের প্রায় ১২ বছর পর নিজস্ব রাজধানী পেল অন্ধ্রপ্রদেশ। রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর...

ভোটের নিরাপত্তায় নজিরবিহীন নজরদারি, কন্ট্রোল রুমে ৯০টি টিভি স্ক্রিন, ২০০ মাইক্রো অবজার্ভার

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে কোমর বেঁধে ময়দানে নামল নির্বাচন কমিশন। এবারের নির্বাচনে বুথে...