Monday, April 6, 2026

হঠাৎ অসুস্থ, প্রচারের মাঝপথেই ভাঙড় থেকে বাড়ি ফিরলেন সায়নী

Date:

Share post:

পয়লা জুন সপ্তম তথা শেষ দফায় ভোট হবে যাদবপুরে। কিন্তু সেই ১০ জুন, ব্রিগেডে তৃণমূলের জনগর্জন সভা থেকে নাম ঘোষণা হওয়ার দিন থেকেই কোমর বেঁধে প্রচারে নামেন তৃণমূলের যুব সভানেত্রী তথা অভিনেত্রী সায়নী ঘোষ। চাঁদিফাটা রোদ, তীব্র দাবদাহ, ঝড়, বৃষ্টি উপেক্ষা করে প্রচারে দিনরাত এক করে ফেলছেন সায়নী। মাঝে একদিনের জন্য অসমেও প্রচারে গিয়েছিলেন তৃণমূলের এই লড়াকু প্রার্থী। এরই মাঝে আজ, বৃহস্পতিবার সকালে যাদবপুর লোকসভার অন্তর্গত ভাঙড়ে প্রচার সারছিলেন সায়নী। বিধায়ক শওকত মোল্লার সঙ্গে হুডখোলা গাড়িতে প্রচার করছিলেন তিনি। সবকিছু ঠিক ছিল, কিন্তু হঠাৎ অসুস্থতা অনুভব করেন তৃণমূল প্রার্থী। বাধ্য হয়ে প্রচার শেষ হওয়ার আগেই ভাঙড় থেকে বাড়ি ফেরেন তিনি।

বৃহস্পতিবার ভাঙড়ের শানপুকুর, ভোগালি ১ ও ভোগালি ২ এলাকায় নির্বাচনী প্রচার করছিলেন সায়নী। রোদের মধ্যেই হুড খোলা গাড়িতে চলছিল প্রচার। তখনই হঠাৎ সায়নী অসুস্থ বোধ করলে গাড়ি থামানো হয়। তারপর বেশ কিছুক্ষণ গাড়ি থেকে নেমে বিশ্রাম নেন তিনি। হুড খোলা গাড়ি ছেড়ে নিজের গাড়ি করে কিছুক্ষণ প্রচার করেন তিনি। এরপর প্রচার বন্ধ করে ফিরে যান সায়নী।

জানা গিয়েছে, এদিন শওকত মোল্লাও অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনিও প্রচার ছেড়ে চলে যান। স্থানীয় এক তৃণমূল নেতা জানিয়েছেন, প্রবল গরমেই এদিন প্রার্থী অসুস্থ হয়ে পড়েন।

আরও পড়ুন- নিজের স্ত্রীকে অপমান করে, নারীদের উন্নয়ন কী করবে! ‘বাংলাভাগের চক্রী’ সৌমিত্রকে ধুয়ে দিলেন অভিষেক

Related articles

ভোট-বৈতরণী পার হতে ‘সহজপাঠ’ হাতিয়ার সিপিএমের, নিন্দা তৃণমূলের

বাংলায় ৩৫ বছর ক্ষমতায় ছিল সিপিএম (CPIM)। কিন্তু বর্তমান রাজনীতির ময়দানে কার্যত শূন্য তারা। এবার অস্তিত্ব রক্ষার তাগিদে...

উত্তরপ্রদেশ থেকে ২০০ গাড়ি সেনা, ইভিএম মেশিনে চিপ! সতর্ক করলেন মমতা

নির্বাচন কমিশনকে দিয়ে যে পদ্ধতিতে কারচুপি ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত কেন্দ্রের বিজেপি সরকার করে এসেছে, তার পর্দা...

বিয়ের প্রতিশ্রুতিতেও মুক্তি নয়, পকসো মামলায় কড়া বার্তা গুয়াহাটি আদালতের

প্রেমের সম্পর্কের কথা বলে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক করা যায় না। পকসো মামলার শুনানিতে এই মন্তব্য করল গুয়াহাটি হাইকোর্ট...

মানুষের কাজ যে করবে সেই প্রার্থী: নাম না করে তপন চট্টোপাধ্যায়কে নিশানা তৃণমূল সুপ্রিমোর

“কেউ কেউ আছে কাজ করবে না, কিন্তু সারাজীবন তাঁকেই প্রার্থী করতে হবে। না দল সেটা কোনওদিনই করবে না“।...