Saturday, May 16, 2026

পক্ষাঘাতগ্রস্ত ছেলের জন্য স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন বৃদ্ধের, ইউথেনেসিয়ায় অনুমতি নেই আদালতের 

Date:

Share post:

একটা দুর্ঘটনায় বদলে গেছে জীবন। মোহালির চন্ডিগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে (Chandigar University) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করতে যাওয়া ছেলেটা ২০১৩ সালে কলেজের চার তলা থেকে পড়ে যায়। প্রাণে বেঁচে গেলেও জীবন যেন সেখানেই স্তব্ধ হয়ে গেছিল হরিশের। গুরুতর মাথার আঘাত, স্নায়ুর কঠিন রোগ, শরীরের প্রায় সমস্ত অকেজো অঙ্গ নিয়ে এগারো বছরের বেশি সময় ধরে শয‌্যাশায়ী। বাবা এই দৃশ্য আর চোখে দেখতে পারছিলেন না। প্রতিদিন তিলে তিলে শেষ হয়ে যাওয়ার আগে জীবদ্দশায় ছেলেটা যেন নরক যন্ত্রণা ভোগ করছে। অসহায় বাবা ছুটে যান আদালতে, আর্জি একটাই ছেলেটাকে স্বেচ্ছামৃত্যুর (mercy-killing) অনুমতি দেওয়া হোক। কিন্তু মানবিকতার অনুভূতি স্পর্শ করতে পারল না আদালতকে। খারিজ হলো ইউথেনেসিয়ার (passive euthanasia) আবেদন।

পক্ষাঘাতগ্রস্ত ছেলের বাবার বয়স ৬২ বছর। মাত্র সাড়ে তিন হাজার টাকা পেনশন পান। সংসার চালাতে স্ত্রীর সাহায্যে স্যান্ডউইচ তৈরি করে বিক্রি করেন। হরিশের ভাই অল্প বেতনে চাকরি করে। বহু দিন ধরেই ছেলের অসহনীয় যন্ত্রণা বাড়তে দেখা, আর্থিক অনটন এবং মানসিক চাপে বিধ্বস্ত হরিশের বাবা-মা। শেষ পর্যন্ত দিল্লি হাই কোর্টে ছেলের ইচ্ছামৃত্যুর আর্জি জানান বৃদ্ধ রানা এবং তাঁর স্ত্রী নির্মলা দেবী। মেডিক্যাল বোর্ড বসিয়ে হরিশকে স্বেচ্ছামৃত্যু দেওয়া হোক এই আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু গত ৮ জুলাই আদালত তা খারিজ করে দিয়েছে। একইসঙ্গে আদালত জানিয়ে দেয়, এদেশের আইন স্বেচ্ছামৃত্যুর (passive euthanasia) অনুমতি দেয় না।


Related articles

SIR-এ নাম বাদ পড়লে খারিজ হবে জাতি শংসাপত্র! জারি নির্দেশিকা

রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর একের পর এক আগের প্রশাসনের নিয়ম বদলের পথে বর্তমান রাজ্য সরকার। সেই পথে এবার...

ভোট পরবর্তী হিংসা: ছাড় পেলেন না পদকজয়ী স্বপ্না, পুড়ে ছাই বাড়ি

বিজেপি নেতৃত্ব দাবি করছেন তাঁদের কেউ সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্ত থাকলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে। সেই...

প্রচারে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ: FIR দায়ের অভিষেকের বিরুদ্ধে

বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বাংলায় যেভাবে হিংসায় প্ররোচনার অভিযোগ বারবার উঠেছে, তাতে শাসক ও প্রধান বিরোধী কোনও দলই পিছিয়ে...

SIR-এর ট্রাইবুনাল ধাঁধাঁ: ভোট দেওয়ার পরে নাম বাদ পড়ল ভোটার তালিকা থেকে!

গোটা এসআইআর প্রক্রিয়া বাংলার মানুষের বৈধ ভোটাধিকার বাদ দেওয়ার চক্রান্ত করার জন্যই হয়েছিল, এমন অভিযোগ বারবার রাজ্যের একাধিক...