দুর্নীতি ও বেনিয়মের অভিযোগে রাজ্য সরকার বসিরহাট পুরসভার চেয়ারম্যানকে (Basirhat Municipal Board Administrator Removal) অপসারণ করে পুরবোর্ড ভেঙে দিয়েছিল। এবার তার ছ’মাসের মাথায় এবার আইনি লড়াইয়ে জড়াল বসিরহাট পুরসভা। মহকুমা শাসককে (SDO) প্রশাসক পদে বসিয়ে পুরসভা চালানোর সরকারি সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলেন ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ রায়। হাইকোর্টের গ্রীষ্মাবকাশের পর বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর এজলাসে মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

মামলকারীর আইনজীবী ওমর ফারুক গাজির দাবি, আমলাতন্ত্র দিয়ে পুরসভা চালানোয় প্রশাসনের ‘চেক অ্যান্ড ব্যালেন্স’ বিঘ্নিত হচ্ছে। জনপ্রতিনিধিরা সরাসরি মানুষের সঙ্গে যুক্ত থাকায় তাঁরাই প্রকৃত প্রাপকদের চেনেন, যা আমলাদের পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে মানুষ নাগরিক পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এদিকে এই ইস্যুতে আগের শাসকদলকে নিশানা করেছেন বিজেপি নেতা ডঃ শৌর্য্য বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ—শুধু বসিরহাটই নয়, বাদুড়িয়া ও টাকি পুরসভাতেও দুর্নীতি হয়েছে। কিছুদিন আগে বাদুড়িয়া থেকে ৩ কোটি টাকা উদ্ধারই তার প্রমাণ। অভিযুক্তদের শাস্তির ব্যবস্থা না করে প্রশাসন দায় এড়াচ্ছে বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। আরও পড়ুন: শওকতকে ‘পলাতক’ ঘোষণা করে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ NIA-র

পুর বোর্ড ভেঙে দেওয়া বসিরহাট পুরসভার মোট ওয়ার্ডর সংখ্যা ২৩। রাস্তা, পানীয় জল ও নিকাশির বেহাল দশা এবং আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে গত বছর নভেম্বর মাসে ২২ জন কাউন্সিলরকে শোকজ করেছিল রাজ্য নগরোন্নয়ন দফতর। জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় এক মাসের মাথায় পুরবোর্ড ভেঙে দিয়ে মহকুমা শাসককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। এবার সেই প্রশাসক সরিয়ে ফের গণতান্ত্রিক বোর্ড গঠনের দাবিতে শুরু হল আইনি লড়াই।

–

–

–

–

–
–
–
–
