লোকসভা ভোটের সঙ্গে দুটি এবং তার একমাস আরও ৪টি বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন (Assembly By Poll) হয়ে গিয়েছে। ওই ৬টি উপনির্বাচনের সবকটিতেই জয়ী হয়েছেন শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীরা। এখনও বাকি রয়েছে আরও ৬ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে বাকি ৬টি কেন্দ্রের উপনির্বাচন হতে পারে পুজোর আগে সেপ্টেম্বরে। অসমর্থিত সূত্রে এমনটাই জানা যাচ্ছে।


অমরনাথ যাত্রা শেষ হচ্ছে ২০ আগস্ট। তার পরেই সম্ভবত জম্মু ও কাশ্মীরে নির্বাচন ঘোষণা হতে পারে। ভোট রয়েছে হরিয়ানাতেও। এরকম এক পরিস্থিতিতে কাশ্মীর, হরিয়ানার সঙ্গে বাংলাতেও উপনির্বাচন (Assembly By Poll) করাতে চায় জাতীয় নির্বাচন কমিশন। বাংলার যে বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে উপনির্বাচন হওয়ার কথা, সেগুলি হল উত্তর ২৪ পরগনার নৈহাটি ও হাড়োয়া, পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর, বাঁকুড়ার তালডাংরা, আলিপুরদুয়ারের মাদারিহাট ও কোচবিহারের সিতাই। এই ৬টি কেন্দ্রের মধ্যে ৫টি ছিল তৃণমূলের দখলে আর মাদারিহাট আসনটি ছিল বিজেপির হাতে। ৬ জন বিধায়কই লোকসভা ভোটে দাঁড়িয়ে জিতেছেন। ফলে আসনগুলিতে বিধায়ক শূন্য হওয়াতেই উপনির্বাচন।

রাজ্যের বিগত উপনির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে বিজেপির। এবার যে ৬ কেন্দ্রে উপনির্বাচন হতে চলেছে সেগুলির মধ্যে আলিপুরদুয়ারের মাদারিহাটই রয়েছে বিজেপির দখলে। বাকী ৫ কেন্দ্র রয়েছে তৃণমূলের দখলে। তবে রাজনৈতিক মহলের ধারণা মাদারিহাটেও বিজেপির অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। আবার উল্টো যুক্তিও রয়েছে। লোকসভা ভোটে ওই আসনে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। ওই আসনের জন্য ঝাঁপাবে তৃণমূল কংগ্রেস। সূত্রের খবর ওই আসনে চা বলয়ের কোনও নেতাকেই দাঁড়া করানো হবে। ওই আসনে জয়ী হলে উত্তরবঙ্গে আরও একটু শক্তি বাড়বে তৃণমূলের।


এদিকে, জম্মু ও কাশ্মীরের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে হাজির থাকতে বলা হয়েছে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাবকে। কোনও কোনও মহল থেকে অনুমান করা হচ্ছে আগস্টের দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্বাচন ঘোষণা হওয়ার পর সেপ্টেম্বরের মধ্যে ভোট করিয়ে নেওয়া হতে পারে।


আরও পড়ুন: ড্রাগন ফল, ক্যানড আনারস; খাবারের সম্ভারে শুক্রে শুরু ‘বাংলার ফল ও খাদ্য উৎসব: ২০২৪’












