অসুস্থ টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডলকে ভর্তি নিতে অস্বীকার করেছে শহরের চারটি নামী বেসরকারি হাসপাতাল।লালবাজারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করে বলা হয়েছে, আরজি কর কাণ্ডের প্রতিবাদে চিকিৎসক সমাজ কার্যত একজোট হয়ে টালা থানার ওসিকে ভর্তি করছে না।যার নিট ফল, বুধবার বিকেলে অসুস্থ ওসিকে নিয়ে এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে ছুটতে হযেছে কলকাতা পুলিশের অফিসারদের। শেষপর্যন্ত শহরের একটি সরকারি হাসপাতালে ঠাঁই হয় অসুস্থ ওসি-র।
এই ঘটনায় বেজায় ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী সোমবার নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে ক্ষোভ উগড়ে দেন।বৈঠকে উপস্থিত স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগমকে অভিযুক্ত বেসরকারি হাসপাতালগুলির সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।এদিন তিনি বলেন, ওদের এত সাহস কী করে হয়!চারটে বেসরকারি হাসপাতালের নাম আমার কাছে আছে। আমি তাদের ক্ষমতা দেখে অবাক হয়ে গিয়েছি। পুলিশের একজন ওসি, সে তো তোমার কাছে পেশেন্ট হিসেবে গিয়েছে। তুমি তাকে ভর্তি নাওনি। এই হাসপাতালগুলোর কথা আমাদের মনে রাখতে হবে।

স্বাস্থ্যসচিবের কাছে বিষয়টি জানতে চেয়ে জিজ্ঞাসা করেন, যারা এরকম করেছিল তাদের বিরুদ্ধে কী অ্যাকশন নেওয়া হয়েছে? তারা তো টাকা নিয়ে করছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, অনেক ডাক্তার সরকারি হাসপাতালে কাজ করছেন না, কিন্তু বেসরকারি হাসপাতালে গিয়ে কাজ করছেন। সে ব্যাপারেও সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রীকে জানান স্বাস্থ্যসচিব।
কলকাতা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার বিকেলে প্যানিক অ্যাটাকে জ্ঞান হারিয়ে থানার মধ্যে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন টালা থানার ওসি অভিজিৎ মণ্ডল। অসুস্থ ওসিকে নিয়ে কলকাতা পুলিশের অফিসাররা সিএমআরআই, কোঠারির মতো একাধিক নামী বেসরকারি হাসপাতালে ছুটে যান। কিন্তু কোনও হাসপাতালই তাকে ভর্তি নিতে চায়নি বলে পুলিশের অভিযোগ।
জানা গিয়েছে, লালবাজারের হাতে এসেছে আন্দোলনরত চিকিৎসকদের হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপের চ্যাট। যদিও সেই চ্যাটের সতত্যা যাচাই করেনি বিশ্ব বাংলা সংবাদ।। তাতে টালা থানার ওসি অসুস্থ হওয়া এবং হাসপাতাল থেকে ফেরত পাঠানো ইস্যুতে উল্লাস ঝরে পড়েছে!

মমতা এদিন বলেন, মানুষ কিন্তু রাজনীতির ঊর্ধ্বে। রোগের কিন্তু কোনও বিচার হয় না। কারও যদি হার্টফেল করে, সে চিকিৎসা না পেলে সঙ্গে সঙ্গে মারা যাবে।যার ক্ষেত্রে ঘটে, সেই বিষয়টা বুঝতে পারে।














